টাকা খরচ করে জিতিয়ে টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বিধায়কদের! প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

26
টাকা খরচ করে জিতিয়ে টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বিধায়কদের! প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

রাজ্য শাসকদলের অভ্যন্তরে গোষ্ঠী কোন্দল এখনো অব্যাহত। এবার জলপাইগুড়ি থেকে তৃণমূলের অভ্যন্তরের গোষ্ঠী কোন্দলের খবর পাওয়া গেল। এমনিতেই উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতা দখল করতে তৃণমূলকে বেশ পরিশ্রম করতে হয়েছে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে। বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে যদিও বা কিছুটা সাফল্য মিলেছে, এখন আবার জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসায় বেজায় অস্বস্তিতে রাজ্য শাসক দল।

শনিবার সন্ধ্যায় তৃণমূল ভবনে সংখ্যালঘু সেলের সাংবাদিক সম্মেলনে জেলা কমিটির নেতা মোশারফ হোসেন প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যানী এবং জেলাপরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মণের সামনে তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূলের তরফের বিধায়কেরা দলীয় নেতাকর্মীদের কোনো কথা শুনতে চান না। বিভিন্ন স্কুল কলেজে যেসব কমিটি গঠন হচ্ছে, সেখানেও সংখ্যালঘুদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, জেলাস্তরের নেতাকর্মীরা নিজেদের টাকা খরচ করে প্রচার চালিয়ে বিধায়কদের জিতিয়েছেন। অথচ নির্বাচনে জয়লাভের পর সেই বিধায়কদের আর টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! সংখ্যালঘুদের প্রয়োজনে বিধায়কদের পাশে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের কোনো দাবিও বিধায়করা পূরণ করছেন না। বিভিন্ন কমিটিতে অন্য সম্প্রদায়ের মানুষেরা জায়গা পেলেও সংখ্যালঘুরা জায়গা পাচ্ছেন বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।

উল্লেখ্য জলপাইগুড়িতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে মনে মনে ক্ষোভ পোষণ করলেও কিন্তু সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এখনো রাজ্যের শাসক দলেই নাম লেখাচ্ছেন। সম্প্রতি, অল ইন্ডিয়া মাইনরিটি অর্গানাইজেশনের সমস্ত সদস্য একই সঙ্গে তৃণমূল শিবিরে নাম লিখিয়েছেন।