গ্রুমিং জিহাদের স্বীকার হয়ে নিখোঁজ মেয়ে! আদালতের দ্বারস্থ বাবা মা

11
গ্রুমিং জিহাদের স্বীকার হয়ে নিখোঁজ মেয়ে! আদালতের দ্বারস্থ বাবা মা

বর্তমান হিন্দুদের কাছে অন্যতম একটি সমস্যা হল গ্রুমিং জিহাদ। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পনা করে সুন্দরী হিন্দু নারীদের প্রলুব্ধ করে ফাঁসানো হয়, তারপর তাদের সঙ্গে নানা রকম শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অন্তিম পরিণতি মৃত্যু ছাড়া অন্য কিছু হয় না। ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই উড়িষ্যা জম্মু-কাশ্মীর এবং চন্ডিগড় প্রশাসনের জন্য জিহাদ সংক্রান্ত একটি মামলায় নোটিশ জারি করেছেন।

বেশ কিছু বছর আগে কবিতা এবং কেদারনাথ নামে একজন উড়িয়া দম্পতির আদালতের কাছে মামলা দায়ের করে অভিযোগ করেন, তাদের মেয়ে একজন মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ের পরে নিখোঁজ হয়ে গেছে। উড়িষ্যার বেহরাম্পুরের বিফর্মার ছাত্রী ছিলেন তাদের মেয়ে। অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে কলেজেই পরিচয় হয় তার। মুসলিম ব্যক্তি ছিলেন জম্মু এবং কাশ্মীর এর বাসিন্দা। মেয়েটি এবং অভিযুক্ত ছেলেটি প্রথমে লখনৌ তে চলে যায় বিয়ের পরে তারপর হঠাৎ করে বান্দিপুর এলাকা থেকে বেপাত্তা হয়ে যায়।

দম্পতি আরো অভিযোগ করে বলেন, বিয়ে করে তারা দুজনেই চণ্ডীগড়ে চলে গিয়েছিলেন। এই বিবাহ অন্তর ধর্মীয় বিবাহ ছিল না, কিন্তু তাতে তাদের কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু এই বিয়েটি তার মেয়েকে জোর করে করতে বাধ্য করা হয়েছিল, এতেই এই দম্পতির আপত্তি ছিল। আবেদনকারীরা দাবি করেছেন, মেয়েটির স্বামী যে একটি সিন্ডিকেটের অংশ ছিল, তারা হিন্দু মেয়েদের প্রাণ নিয়ে খেলা করে। তারা তাদের মেয়েদের ফিরিয়ে আনার জন্য চণ্ডীগড়ে গিয়েছিলেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনতে পারেননি।

গ্রুমিং জিহাদ সংক্রান্ত এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। বিচারপতি ইউইউ ললিত, অজয় ​​রাস্তোগি এবং অনিরুদ্ধ বোস-এর তিন-বিচারপতি বেঞ্চ। আদালত ওডিশা, জম্মু ও কাশ্মীর এবং চন্ডীগড় প্রশাসনকে ২৩ শে জুলাইয়ের মধ্যে তাদের প্রতিক্রিয়া (পাল্টা-হলফনামা) দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে।