এবার ইলিশকে টেক্কা দিতে বাজারে এলো মিল্ক ফিশ! জানুন বিস্তারিত

45
এবার ইলিশকে টেক্কা দিতে বাজারে এলো মিল্ক ফিশ! জানুন বিস্তারিত

ইলিশকে সোনালি মাছ বলা হয়। মনে করা হয় স্বাদে-গন্ধে ইলিশের সমসাময়িক কেউ হতে পারে না। কিন্তু ফিলিপিন্সের এক জাতির মাছ, অনায়াসে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে ইলিশ মাছকে। এবার নিশ্চয়ই ভাববেন এই মাছ দেখতে গেলে আপনাকে এখন ফিলিপিনস রওনা হতে হবে, একেবারেই নয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে ব্যাপক আকারে চাষ হচ্ছে এই মাছ। এই মাছটিকে দক্ষিণের ইলিশ বলা যেতে পারে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে এই মাছ চাষ করা হয়। কাঁথি, দীঘা, খেজুরি, নন্দীগ্রাম, ভগবানপুর সহ বিভিন্ন এলাকা জুড়ে নোনা মাছের চাষ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। সেই তালিকায় রয়েছে মিল্ক ফিশ। পশ্চিমবঙ্গে এই ইলিশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চাহিদার তুলনায় ইলিশ মাছ কম থাকায় অনেকেই ইচ্ছে থাকলেও এই মাছ ছুঁয়ে দেখতে পারছেন না।

স্বাদএবং গন্ধ অনেকটা ইলিশ মাছের মত বলে এই মাছটিকে দাক্ষিণাত্যের ইলিশ বলে ডাকা যেতে পারে। এই মাছের গায়ের রং একেবারে দুধ সাদা। বিজ্ঞানসম্মত নাম চ্যানস চ্যানস। প্রত্যেকটি মাছের ওজন ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম।
বর্তমানে কেরালা ও তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্যের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় এই মাছ চাষ করা হয় ব্যাপক আকারে। নোনা জলের পাশাপাশি পুকুরের মিষ্টি জলের এই মাছ চাষ করা সম্ভব।

সর্বদিক দিয়ে ইলিশ মাছের মতো দেখতে। অনেকেই বিমানে করে চেন্নাই থেকে এই মাছের চারা নিয়ে আসছেন আমাদের কলকাতার মানুষদের এই মাছের স্বাদ পাওয়ানোর জন্য। কয়েক দশক আগে ইন্দোনেশিয়া, তাইওয়ান, ফিলিপিন্সে বাণিজ্যিকভাবে এই মাছের চাষ শুরু করা হয়েছিল। বর্তমানে ভারতবর্ষে সহ বিভিন্ন দেশে এই মাছের চাষ ব্যাপক আকারে শুরু হয়ে গেছে।