মুখ্যমন্ত্রী না বলা পর্যন্ত বিধায়ক পদ ছাড়বো না, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পাল্টা চিঠি লিখলেন মিহির গোস্বামী

20
মুখ্যমন্ত্রী না বলা পর্যন্ত বিধায়ক পদ ছাড়বো না, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পাল্টা চিঠি লিখলেন মিহির গোস্বামী

যদি রাজনৈতিক ইতিহাস খুঁটিয়ে দেখা যায় তাহলে চোখে পড়বে গত পাঁচ বছরের মধ্যে এমন অনেক বিধায়ক রয়েছেন যারা কিনা কংগ্রেস ও বাম থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এই সমস্ত বিধায়কদের মধ্যে কয়েকজনের প্রমোশন হয়েছে, আর যারা সংসদ পদে উন্নীত হয়েছেন। কিন্তু বাকিরা আবার পরবর্তীতে নিজের দলে ফিরে গিয়েছে। ওই হিসাবে এখন সংখ্যাটা ১৯ জন বিধায়ক এর।

এবার সেই ১৯ জনের তালিকা তৈরি করে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পাল্টা চিঠি লিখলেন মিহির গোস্বামী। কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়কের গোস্বামী গত নভেম্বর মাসেই তৃণমূল থেকে ইস্তফা দিয়েছেন, মোটকথা যেদিন শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দিয়েছিলেন ঠিক সেদিনই মিহির গোস্বামী ইস্তফা দিয়েছিলেন। এবার তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পাল্টা চিঠি লিখলেন যতদিন না মমতা বলছেন ততদিন তিনি বিধায়ক পদ ছাড়বেন না।

তিনি কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক থাকলেও দেওয়া হয়নি তাকে কোন সম্মান। এমনটাই দাবি তার, ২২ বছর ধরে তিনি তৃণমূলের সাথে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু জেলায় দেওয়া হয়নি তাকে কোন সম্মান। বার বার দলনেত্রীকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এরপর এই অপমানের বদলা নিতে তিনি নিশীথ প্রামাণিকের সাথে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন, কিন্তু তিনি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গেলেও এখনো পর্যন্ত খাতায়-কলমে তিনি একজন তৃণমূল বিধায়ক।

এইসব কথা হওয়ার কারণ একটাই, গত ৬ জানুয়ারি তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য আইনি নোটিশ পাঠায় মিহির গোস্বামীকে। আর এই লেখা চিঠির উত্তরেই মিহির গোস্বামী জানায়, গত ৩ অক্টোবর আমি এক প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে তৃণমূলের যাবতীয় সাংগঠনিক ফল থেকে সড়ে দাঁড়াই, আর সেই কথা আমি শ্রীমতী বন্দ্যোপাধ্যায় কেও জানিয়ে দেই। এরপরেই ২৭ নভেম্বর আমি বিজেপিতে প্রাথমিক সদস্য হিসেবে যোগদান করি। এত দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরে আপনার এই আইনি চিঠি অনেকটাই অবাক করছে আমাকে।