পরিবেশ সচেতনতার বার্তা দিতে ডেড সি তে নগ্ন হয়ে হেঁটে চলেছে নারী পুরুষ

19
পরিবেশ সচেতনতার বার্তা দিতে ডেড সি তে নগ্ন হয়ে হেঁটে চলেছে নারী পুরুষ

নগ্ন হয়ে হেঁটে চলেছেন নারী পুরুষ, শরীরে কোনো পোশাক নেই। মাথা থেকে পা পর্যন্ত শুধুমাত্র রয়েছে সাদা রঙের প্রলেপ। এমন একটি দৃশ্য আমরা দেখলাম দক্ষিণ ইজরায়েলের আরাদ সাগরের ডেড সি তে। কেন এইভাবে হেঁটে চলেছেন নগ্ন পুরুষ এবং নারী? আসলে পরিবেশ সচেতনতা বার্তা দিতে গিয়ে একটি ফটোশুটের আয়োজন করেছিলেন নিউইয়র্ক এর বিখ্যাত আলোকচিত্রী স্পেন্সার টিউনিক।

৫৪ বছর বয়সী এই আলোকচিত্রী অদ্ভুত ধরনের ছবি তোলার জন্য ইতিমধ্যেই বিখ্যাত বিশ্বজুড়ে। তিনি প্রায় নগ্ন ফটোশুটে র আয়োজন করে থাকেন। তবে এবার একেবারে অন্য একটি বার্তা নিয়ে তিনি চলে এসেছেন সকলের সামনে। ডেড সি র অবনতির অবস্থা তুলে ধরে মানুষকে আরো বেশি পরিবেশ সচেতন করতে চেয়েছেন তিনি। তাই এই ফটোশুটের চিন্তা তার মাথায় আসে।

বিবিসিতে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, জীবন্ত ইন্সটলেশনে সামুদ্রিক ছোঁয়া দিতে ২০০ জন নারী পুরুষের শরীরে নুনের মতো সাদা রং করে দেন তিনি। ক্ষমতা এবং দুর্বলতা, দুটোই একসাথে দেখাতে চেয়েছেন তিনি। তবে এই ফটোসুট করার জন্য বিতরকের সম্মুখীন হতে হয়েছে এই আলোকচিত্রীকে।

কিছু ইহুদী এই নগ্ন ফটোশুটে আপত্তি জানিয়েছেন। যদিও এর আগেও একবার আলোকচিত্রীকে ব্যান করার দাবিতে, স্পেন্সার টিউনিক, বিল আনার জন্য উদ্যোগী হয়েছিলেন এক ইজরায়েলী আইনজীবী। এই প্রসঙ্গে আলোকচিত্রীর সরাসরি জবাব, আমি ভাগ্যবান বলে আমাকে আটকাতে পারেন না কেউ। আমি মনে করি, জীবনে অন্তত একবার নগ্ন ফটোশুটে অংশ নেওয়া উচিত। এবং এই ফটোশুটে অংশ নেবার জন্য আইন প্রণয়ন করা উচিত।

উল্লেখ্য, গত দুই দশক ধরে ৩০ শতাংশ হারে শুকিয়ে গেছে বিখ্যাত ডেড সি। পরিবেশ নিয়ে এখন থেকেই যদি সচেতন না হওয়া যায় তাহলে এই শতাংশ আরো বেশি বেড়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই সকলকে সচেতন করার জন্য নগ্ন ফটোশুটে আয়োজন করেছেন এই আলোকচিত্রী যা ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে প্রশংসার যোগ্যতা রাখে।