বিয়ে টা নেহাতই ছেলেখেলা নয়, নুসরাত এবং যশের ঘনিষ্ঠতায় ক্ষুব্ধ নিখিল

5
বিয়ে টা নেহাতই ছেলেখেলা নয়, নুসরাত এবং যশের ঘনিষ্ঠতায় ক্ষুব্ধ নিখিল

নুসরাত জাহান যতটা সহজ ভাবে নিয়েছেন তার বৈবাহিক সম্পর্ককে, ততটা সহজে সবকিছু মেনে নিতে পারছেন না নিখিল জৈন। অন্তত নিখিলের পোস্ট দেখে তেমনটাই ধারণা সকলের। নিখিল জৈন এবং নুসরাত জাহান কিন্তু ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। তাদের ভালোবাসার বিশেষ কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। লকডাউনেও তারা একসঙ্গে ছবি তুলেছিলেন। এমনকি দিওয়ালি সময় নিখিল তার স্ত্রীকে এমন একটি শাড়ি গিফট করেছিলেন যেখানে নুসরাত জাহানের এখনো পর্যন্ত সব কটি সিনেমার চরিত্রের নাম খোদাই করা ছিল।

একে অপরের সঙ্গে ওয়ার্ক আউট করার ছবি পোস্ট করেছেন তারা আগস্ট মাসে। কিন্তু ডিসেম্বর মাস থেকেই সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গেল। একটি ছবি পোস্ট করতে দেখা গিয়েছিল নুসরাতকে কালো রঙের টপ পরে। অনেকের সঙ্গে যশ দাশগুপ্ত সেই ছবির প্রশংসা করেছেন। কিন্তু ছবির প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন যে, স্রোতের বিপরীতে হাঁটতে শেখ। উত্তরে অভিনেত্রী লিখেছিলেন, সাংঘাতিক ঢেউয়ে আমি সাঁতার কাটতে জানি না।

এই সাংকেতিক কথাবার্তার মধ্যে অনেকেই আসন্ন ঝড়ের ইঙ্গিত পেয়ে গিয়েছিলেন। অনেকেরই মনে হচ্ছিল যে নুসরাত জাহান এবং যশ দাশগুপ্ত কিন্তু প্রয়োজনের বেশি কাছাকাছি আসছেন। বৈবাহিক সম্পর্ক তখন থেকেই টালমাটাল খেতে শুরু করেছিল। একদিকে রাজনীতি অন্যদিকে সাংসারিক অশান্তি, সবকিছু হ্যান্ডেল করেও কিন্তু যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে বারবার ছবি পোস্ট করে চলেছেন নুসরাত জাহান।

বেশ কিছুদিন আগে যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে তিনি দক্ষিণেশ্বরে কালী মন্দিরে গিয়ে পূজা দিলেন। তারই কিছু দিন পর আবার পুরুলিয়াতে মাচশো করতে গেলেন তারা। এই সমস্ত দেখে নিখিল জৈন পোস্ট করলেন যে, বিয়ে টা নেহাতই ছেলেখেলা নয়। বিয়ে নিয়ে কখনওই খেলা করা উচিত নয় কারোর। স্পষ্ট দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে, নিখিল কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না নুসরাত এবং যশ দাশগুপ্তের ঘনিষ্ঠতা। অবশ্য নিখিলের পক্ষে রয়েছেন বহু মানুষ। সকলেই নুসরাত জাহান এবং যশ দাশগুপ্তের এই ঘনিষ্ঠতাকে নোংরামি বলে আখ্যা দিয়েছেন। পাশাপাশি সকলেই লিখেছেন যে, সামনে ভোট। একজন সাংসদ হয়ে কিভাবে এখন এই ভাবে ঘুরে বেড়াতে পারছে নুসরাত জাহান, তা সত্যিই চিন্তার বিষয়। ওনাকে সংসদ করে ভুল করেছে সাধারণ মানুষ।