ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিপর্যস্ত মেরিন ড্রাইভ! সেচ দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী

18
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিপর্যস্ত মেরিন ড্রাইভ! সেচ দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবের জেরে বিপর্যস্ত সমুদ্র উপকূল। দীঘা, মন্দারমনির সমুদ্র সৈকত কার্যত ধুলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে। দীঘার মেরিন ড্রাইভেরও বেশ কিছুটা অংশ ভেঙে পড়েছে। অথচ মেরিন ড্রাইভ মাত্র কয়েক বছর আগেই বানানো হয়েছে। তাহলে ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে হঠাৎ ভেঙে গেল কেন মেরিন ড্রাইভ? আজ নবান্নে সেচ দপ্তরের অধিকর্তাদের কাছে প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পক্ষে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। দার্জিলিং পাহাড়ের পাশাপাশি দীঘার সমুদ্র সৈকতকেও তিনি সাজিয়েছেন মনের মত করে। পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মহল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে উদয়পুর থেকে দিঘা মোহনা পর্যন্ত রাস্তা আলোয় মুড়ে দেন তিনি। গড়ে তোলেন বিশ্ব বাংলা পার্ক। মেরিন এবং সি ড্রাইভও ছিল তার পরিকল্পনার মধ্যে। সেইমতো তার সেই দুটি পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হয়। অথচ মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানেই ভেঙে পড়ল মেরিন ড্রাইভ। ঘটনার জেরে স্বভাবতই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নবান্নে একটি সাংবাদিক বৈঠকে বসে সেচ দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন প্রশ্ন তোলেন, বছর বছর যদি এইভাবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে এমন খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় মোহনায় তাহলে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোটি কোটি টাকা পাওয়া যাবে কোথা থেকে? মেরিন ড্রাইভের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে শেষ দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি কিভাবে এমন ঘটনা ঘটলো তাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।