অনেক দম্পতির সন্তান নিতে সমস্যা হয়? জানুন তার কারন ও প্রতিকার

18
অনেক দম্পতির সন্তান নিতে সমস্যা হয়? জানুন তার কারন ও প্রতিকার

এখনকার দিনে বহু মহিলাদেরই গর্ভধারণ করতে সমস্যা সৃষ্টি হয়। স্বামী স্ত্রী দুজনেরই ভুলের জন্য অনেক দম্পতিদের সন্তান আসতে সমস্যা দেখা দেয়। চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক সেই কারণগুলো কি কি?

১) মেদ বৃদ্ধি পাওয়া– এখনকার মানুষদের খাদ্য তালিকার ভুল-ভ্রান্তির জন্য তাদের ওজন দিনে দিনে বৃদ্ধি পায়। ওজন বারতে থাকা সন্তান ধারণে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। তলপেটে বেশি ফ্যাট জমে গেলে ফ্যাট মেয়েদের জরায়ুর কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

২) অতিরিক্ত ওজন কম– অতিরিক্ত মোটা সব ধরনের বাধা সৃষ্টি করে ঠিক তেমনি অতিরিক্ত ওজন কম সন্তান ধারনে বাধাপ্রাপ্ত করে। বেশি রোগা নারীদের দেহে ল্যাপটিন হরমোনের অভাব দেখা যায়। হরমোন ঋতুচক্রের সমস্যার সৃষ্টি করে তাই সহজেই সন্তান আসতেও চায়না।

৩) বয়স বেড়ে যাওয়া– সন্তান ধারণে জটিলতা সৃষ্টি করে মেয়েদের বয়স। মেয়েদের বয়স যদি বেশি বেড়ে যায় সেক্ষেত্রে সন্তান ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। মেয়েদের বেশি বয়সে ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে যায়। এই ঋতুচক্র বন্ধের সময়কাল হল ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে। চিকিৎসকরা হয়ে ক্ষেত্রে পরামর্শ দেন যে প্রতিটা নারীকে ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে সন্তান নিয়ে নেওয়া উচিত।

৪) মানসিক চাপ– মানসিক চাপ অনেক সময় সন্তান হারানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। যে সব নারীরা দীর্ঘদিন থেকে মানসিক চাপে ভোগেন তাদের শরীরে হরমোনের তারতম্য দেখা দেয়। তাই সন্তান ধারণে সমস্যা হয়।

৫) মদ্যপান– যেসব নারীরা মাদকাসক্ত তারা অনেক সময় সন্তান ধারণ করতে পারে না। ২০০৪ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানীরা ১৮ বছর ধরে মদ্যপায়ী নারীদের উপর গবেষণা চালিয়েছেন। সেটা থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে মদ্যপায়ী নারীদের সন্তান ধারণের ক্ষমতা কম থাকে।

৬) থাইরয়েডের সমস্যা– থাইরয়েডের সমস্যা গর্ভধারণ কে ব্যাহত করতে পারে। থাইরয়েড থেকেই আমাদের অনেক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়। তাই থাইরয়েডের সমস্যা হলে সন্তান আসতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৭) অতিরিক্ত ক্যাফেইন খাওয়া– অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাবার খাওয়া নারীদের অনেক সময় সন্তান ধারণে অক্ষম হতে দেখা যায়। যে সমস্ত মহিলারা দিনে ৫ কাপের বেশি কফি পান করেন তাদের ক্ষেত্রে এমন সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই গবেষকরা বলেছেন সন্তান নিতে চাইলে কফি খাওয়া কমিয়ে দিন।

৮) বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা– বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা যেমন পলিসাইটিক ওভারি সিনড্রোম, সিস্ট, এনডোমিটট্রিওসিস প্রভৃতি কারণে বন্ধ্যাত্ব রোগ হতে পারে।