স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ডের লোন বাতিল করে দিচ্ছে বহু ব্যাংক! কড়া হচ্ছে রাজ্য সরকার

4
স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ডের লোন বাতিল করে দিচ্ছে বহু ব্যাংক! কড়া হচ্ছে রাজ্য সরকার

পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বাতিল। এর ফলে ক্রমশই আরো জটিল হয়ে যাচ্ছে স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ডের বিষয়টা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিলেও, অভিযোগ উঠছে এখনও কিছু কিছু ব্যাঙ্ক বাতিল করে দিচ্ছে স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ডের লোন।

রাজ্যবাসীর মনে এর ফলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতন বাংলার ক্ষমতায় এসেই পড়ুয়াদের পড়াশুনা খাতে সুবিধার জন্য স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ড চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে বলা হয়, দশম থেকে শুরু করে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা, গবেষণা, ডাক্তারি পড়ার ক্ষেত্রে পড়ুয়ারা এই কার্ডের মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন পাবে। তবে এক্ষেত্রে তাঁদের কোন কিছু বন্দক রাখতে হবে না। সরকার থাকছে তাঁদের গ্যারান্টার হিসেবে।

তবে ইতিমধ্যেই, জমা হওয়া হাজার হাজার আবেদনের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৪৬৮টি ঋণের আবেদন বাতিল হয়ে যায়। মঞ্জুর করা হয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৬১৮ টি। এই স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান যেন কিছুতেই করা সম্ভব হচ্ছে। সরকারের নির্দেশ দেওয়ার পরও, অভিযোগ উঠেছে ছাত্রছাত্রীদেরকে কিছু জিনিস বন্দক রাখার জন্য চাপ দিচ্ছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে আবার ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ যুক্তি দেখাচ্ছে, এই লোন দেওয়ার জন্য পড়ুয়াদের কোন প্রমাণপত্র নয়, তাঁদের মেধা বিচার করা হচ্ছে। কোর্স ও মেধার মান সন্তোষজনক না হলে, চাকরি পেতে সমস্যা হবে। যার ফলে ঋণ মেটাতে সমস্যা হতে পারে সেই ছাত্রছাত্রীর। আর ব্যাঙ্কে গচ্ছিত সাধারণ মানুষের অর্থ বিপন্ন হলে, পরবর্তীতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এককথায় ঋণ দেওয়া টাকা ফেরত পেতে অনেক সমস্যা হতে পারে।

রাজ্য সরকার ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের এই যুক্তি দেখানোর পর বাংলার জন্য টাস্ক ফোর্স তৈরি করেছে। জেলায় জেলায় ঘুরে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে, কেন তাঁরা ঋণ দিতে অস্বীকার করেছে- সেই বিষয়ে খোঁজ খবর নেবে।