মানিক ভট্টাচার্য -এর বিরুদ্ধে কি ক অভিযোগ তুলেছে ইডি? জানুন

11
মানিক ভট্টাচার্য -এর বিরুদ্ধে কি ক অভিযোগ তুলেছে ইডি? জানুন

এই রাজ্যে একের পর এক দুর্নীতি কাণ্ডের জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর সংস্থা একে একে বড়ো বড় রাঘব বোয়ালদের ধরে চলেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দিয়ে চলেছেন এক একটি বিস্ফোরক তথ্য যা দেখে সাধারণ মানুষ তাজ্জব বনে যাচ্ছে।

কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছি এসএসসি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তিনি বর্তমানে এখনও জেলে। আর তাঁর উপর তদন্ত করতে গিয়ে এই একই দুর্নীতিতে যুক্ত অনেক গুলো ব্যাক্তির নাম পাওয়া যায়। কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়। আর তাদের মধ্যেই একজন হলো প্রাক্তন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ও একজন তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য।

এই মানিক ভট্টাচার্য – এর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ তুলেছে ইডি। কি কি অভিযোগ তোলা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে আসুন জেনে নেওয়া যাক।

১. প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থাকাকালীন প্রায় ৫৮০০০ প্রাইমারি শিক্ষক বেআইনি ভাবে নিয়োগ হয়েছিল আর এই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নির্দেশ দিতেন মানিক।

২. এই মানিক ভট্টাচার্য – এর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বহু তথ্য পাওয়া যায় যাতে খুব সহজেই প্রমাণ হন বেআইনি ভাবে নিয়োগ করার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি।

৩. মানি লন্ডারিংয়ে মানিক ভট্টাচাৰ্যের ইনভলভমেন্ট ওই সব ডিজিটাল ডকুমেন্টসে স্পষ্ট যা তাঁর বাড়ি থেকে পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় এই নিয়োগের টাকা দিয়ে মানিক বাবু অনেক সম্পত্তি ও কিনেছেন বলে জানা গেছে।

৪. বেআইনি ভাবে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে যে টাকা এসেছিল, মানিক ও তাঁর আত্মীয়দের কাছে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে সেই মানি লন্ডারিং খুঁজে বের করাই এখন একমাত্র লক্ষ্য ইডির।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইডি মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করার পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও রেহাই পাননি তিনি। সব কিছু বিবেচনা করে ১৪ দিনের জেল হেফাজত দেওয়া হয় আদালতের তরফ থেকে। আর এর মধ্যেই আবার এই সমস্ত প্রমাণ পায় ইডি। এগুলো জমাও দেওয়া হয় আদালতে। এবার দেখার পালা এই জল কতদূর গড়ায়। এত সহজে যে মানিক বাবু ছাড়া পাবেন না সেটাই অনুমান করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।