বয়স হওয়ায় আগেই সেরে রাখুন কিছু অর্থনৈতিক পরিকল্পনা

17
বয়স হওয়ায় আগেই সেরে রাখুন কিছু অর্থনৈতিক পরিকল্পনা

বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনীতির অবস্থা বেহাল। সংসার চালাতে গিয়েই রীতীমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। যারা কোনো না কোনো সংস্থার সঙ্গে জড়িত থেকে উপার্জন করছেন, তারা তবুও নিজেদের সংসার কোনরকম চালাতে পারছেন। কিন্তু অবসর গ্রহণের পর যখন আর নির্দিষ্ট কোনো উপার্জন থাকবে না, তখন কি হবে? অবসর গ্রহণের পর যাতে কোনরকম সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়, তার জন্য এখন থেকেই সেরে রাখুন কিছু অর্থনৈতিক পরিকল্পনা।

জরুরী তহবিল: অর্থনৈতিক উপদেষ্টাদের মতে প্রত্যেক ব্যক্তির জরুরী তহবিল থাকা উচিত। এই জরুরী তহবিলে থাকবে ছয় মাস সংসার চালানোর মতো টাকা। যদি হঠাৎ করে কখনো প্রয়োজন পড়ে, যেমন হঠাৎ করে চাকরি চলে যায় কিংবা মেডিক্লেম করার জন্য টাকার প্রয়োজন হয় তখন এই তহবিল থেকেই সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া যাবে।

অবসর পরিকল্পনা: ৩০ বছর বয়সের আগে থেকেই অবসর পরিকল্পনা করে রাখা প্রয়োজন। তাই ৩০ বছর বয়সের আগেই অবসরকালীন কোন স্কিমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে সেখানে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট কিছু অর্থ বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এতে অবসর গ্রহণের পর সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হবে না।

বীমার প্রয়োজনীয়তা: আর্থিক পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত থাকুক জীবনবীমা পরিকল্পনা। লাইফ ও হেলথ ইনসিওরেন্স থাকাটা খুবই জরুরী। হেলথ ইনসিওরেন্স যেমন আপনাকে চিকিৎসাকালে সাহায্য করবে, লাইফ ইনসিওরেন্স তেমনি আপনার অবর্তমানে আপনার পরিবারকে সহায়তা করবে।

বাজেট মেনে চলুন: সংসার খরচ একটি নির্দিষ্ট বাজেটের আওতায় রাখা উচিত। প্রতিমাসে সংসারে কত খরচ হচ্ছে, কোথায় কোন খাতে বেশি ব্যয় হচ্ছে তার হিসেব রাখা উচিত। তাহলে অতিরিক্ত ব্যয় এড়িয়ে সঞ্চয় করা সম্ভব হবে। এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়গুলি মাথায় রাখলেই পরবর্তীকালে আর কোন চিন্তা থাকবে না।