ইউটিউবে রান্নার ভিডিও পোস্ট করে রুপোর পদক পেয়ে গেছেন মহারাষ্ট্রের ৭০ বছর বয়সি সুমন ধামনিও

9
ইউটিউবে রান্নার ভিডিও পোস্ট করে রুপোর পদক পেয়ে গেছেন মহারাষ্ট্রের ৭০ বছর বয়সি সুমন ধামনিও

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে নিত্যদিনই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষের মধ্যে অবস্থিত বহু গুনাগুনের প্রকাশ ঘটে। আট থেকে আশি, সোশ্যাল মিডিয়ায় মজেছেন সকলেই। তাদের দক্ষতা, পারদর্শিতা দেখে অভিভূত নেটিজেন। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সি সুমন ধামনিও খুব কম সময়ের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার বাসিন্দাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তার একটি নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল আছে, যেখানে তিনি নেটিজেনদের রান্না শেখান।

নাতির অনুপ্রেরণায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে ইউটিউবে রান্না-বান্নার ভিডিও পোস্ট করতে শুরু করেন তিনি। মূলত মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন পদ রান্না করেন তিনি। তার ইউটিউব চ্যানেলে এই মুহূর্তে ৪০০০ সাবস্ক্রাইবার রয়েছেন। তবে তিনি যে রান্নার ভিডিও পোস্ট করেন তার প্রতিটিতেই প্রায় এক মিলিয়ন ভিউ থাকে। রান্নার মাধ্যমেই সোশ্যাল মিডিয়ার বাসিন্দাদের মন জিতে নিয়েছেন সকলের প্রিয় “সুমন দাদি”।

ইউটিউব থেকে ইতিমধ্যে রুপোর পদক পেয়ে গিয়েছেন তিনি। পাও ভাজি বানানোর পদ্ধতি দিয়ে প্রথম ইউটিউবে রান্নার ভিডিও পোস্ট করেছিলেন তিনি। একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ইউটিউব সম্পর্কে তার আগে কোনো ধারনাই ছিল না। এখন এমন হয়েছে, ইউটিউবে রান্নার ভিডিও পোস্ট না করে থাকতে পারেন না তিনি।

তিনি যখন রান্না করেন তখন তার নাতি যশ পাঠক সেই রান্নার ভিডিও ক্যামেরা বন্দী করেন। তিনিই আবার ভিডিও গুলিকে এডিট করে ইউটিউবে আপলোড করেন। নেটাগরিকদের ইতিমধ্যেই বাদামের চাটনি, কুমড়ো, বেগুন ইত্যাদি সবজি দিয়ে তৈরি নানান ধরনের পদ, মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন মিষ্টান্ন বানানো শিখিয়ে দিয়েছেন।

তবে প্রথম প্রথম ক্যামেরার সম্মুখীন হতে অস্বস্তি বোধ করতেন সুমন ধামনি। নেটাগরিকদের ভালোবাসা পেয়ে এখন প্রায়ই কিছুনা কিছু রান্না করে ইউটিউবে পোস্ট করেন তিনি। সম্পূর্ণ ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি মসলা দিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে রান্না করেন তিনি। তার পরিবারের সকলেই তাঁর রান্নার গুনগ্রাহী। বর্তমানে নেটিজেনদের মধ্যেও তিনি তার গুন ছড়িয়ে দিচ্ছেন।