ফোনের দিকে তাকিয়ে বাথরুমে শৌচকর্ম সারতে গিয়ে ঘটল ভয়ংকর বিপদ

23
ফোনের দিকে তাকিয়ে বাথরুমে শৌচকর্ম সারতে গিয়ে ঘটল ভয়ংকর বিপদ

এরকম বহুবার আগেও ঘটেছে, স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে বহুবার বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন মানুষেরা। ঠিক এই কারনে রাস্তা চলাচল করার সময় অথবা লাইন পেরোনোর সময় ফোন হাতে নিয়ে কিংবা কানে নিয়ে কথা বলতে বারণ করেন সকলে। রাস্তাঘাটে ফোনে কথা বলতে বলতে চলাফেরা করলে না হয় বিপদ ঘটবে, কিন্তু বাড়ির মধ্যে ফোনের দিকে তাকিয়ে বাথরুমে ঢোকার ফলে যে কতটা ভয়ানক হতে পারে তা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা।

তেমনই একটি ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটেছে ভিয়েতনামের একটি যুবকের সাথে। স্মার্টফোনে ফেসবুক করতে করতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বাথরুমে ঢুকে ছিল সে। এরপর নিয়মমাফিক জামা কাপড় খুলে শৌচকর্ম সারতে গিয়ে ঘটে যায় এক ভয়ানক বিপদ।
বাথরুম থেকে আচমকা ছেলে চিৎকার শুনে হতভম্ব হয়ে যান যুবকের মা। ছুটে চলে যান তিনি শৌচালয়ের দিকে।

সেখানে গিয়ে তিনি যা দেখলেন তা দেখে যে কোন মানুষ ভয়ে স্তম্ভিত হয়ে যাবে। শৌচালয় দাঁড়িয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করছে তার ছেলে। নিন্মাঙ্গে একটি সুতোও পর্যন্ত নেই। প্রথমে কিছুই বুঝতে পারেননি যুবকের মা। এরপর কমোটের দিকে তাকাতেই তিনি দেখেন যে কমোটের ভেতরের গুটিসুটি মেরে বসে রয়েছে একটি বিশাল আকার সাপ। সেই সাপটি তার ছেলের যৌনাঙ্গে কামড় দেয়, যখন শৌচালয় শৌচ কর্ম করতে যায় তার ছেলে। এর ফলে সেখানে ঘটে যায় রক্তারক্তি কান্ড।

তড়িঘড়ি ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান তার বাড়ির লোক। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, যৌনাঙ্গে সাপের কামড়ের ফলে যন্ত্রণা হয়েছে যুবকের। আগেই তাকে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাতে কোনোভাবেই শরীরে বিষ ছড়িয়ে না যেতে পারে, সেই কারণে তাকে যথাযথ চিকিৎসা করা হচ্ছে। আপাতত হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছে সেই যুবক।

ঘটনা প্রসঙ্গে যুবকের মা বলেন,”আচমকা ছেলের চিৎকার শুনে আমি আঁতকে উঠেছিলাম। প্রথমে কিছু বুঝতে না পারলেও যখন বুঝতে পারি গোটা ঘটনাটা তখন কেমন যেন অসহায় লাগছে নিজেকে। ছেলের কোন ভাবে প্রাণসংশয় হবে কিনা সেই চিন্তা মাথায় এসেছিল আমার। বর্তমানে ছেলেকে সুস্থ দেখে শান্তি হয়েছে আমার”। কিন্তু বাড়ির মধ্যে কিভাবে সাপ ঢুকলে তা এখনো বুঝতে পারছেন না যুবকের মা। এরপর আরও সতর্ক থাকতে হবে বলে মনে করছেন তারা।