এয়ারপোর্টে ঢুকে পড়লো চিতাবাঘ, প্রায় দশ ঘন্টা চেষ্টায় চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করলো বন দপ্তরের কর্মীরা

6
এয়ারপোর্টে ঢুকে পড়লো চিতাবাঘ, প্রায় দশ ঘন্টা চেষ্টায় চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করলো বন দপ্তরের কর্মীরা

দেহরাদুনের জলিগ্রান্ট এয়ারপোর্টে ঢুকে পড়লো একটি চিতাবাঘ। প্রায় দশ ঘন্টা এয়ারপোর্টের মধ্যে একটি পাইপ লাইনে ঢুকে বসে ছিল সেটি। বিষয়টি বিমান বাহিনীর নিরাপত্তা রক্ষীদের নজরে আসতেই তারা বন দপ্তরের কর্মীদের খবর দেন। বনদপ্তরের দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ওই চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার করার পর তাকে দেরাদুন সংলগ্ন একটি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

সূত্রের খবর, দেহরাদুনের জলিগ্রান্ট এয়ারপোর্টে রানওয়েতে বিদ্যুতের সংযোগকারী তারে পরিপূর্ণ একটি সিমেন্টের পাইপ লাইনের ভেতর ঢুকে বসে ছিল ওই চিতাবাঘটি। বিমানবন্দরেরই এক নিরাপত্তা কর্মী বাঘটিকে প্রথম লক্ষ্য করেন। এরপর তিনিই বিষয়টি বাকিদের নজরে আনেন। বন দপ্তরের কর্মীদের খবর দেওয়া হলে তারা পুরো দশ ঘন্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করতে সমর্থ হন।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ওই চিতা বাঘের বয়স এক বছরেরও কম হবে। বিমানবন্দরের কাঁটাতারের উপর দিয়ে লাফ দিয়ে কোনোমতে সেটি বিমানবন্দরের মধ্যে প্রবেশ করে। এরপর ভয় পেয়ে সেটি সিমেন্টের পাইপ লাইনের ভেতর আশ্রয় নেয়। এয়ারপোর্টের কর্মীরা জানিয়েছেন রানওয়ে থেকে ৬০ মিটার দূরত্বে পাইপলাইনের ভেতর ঢুকে বসেছিল চিতাবাঘটি।

উল্লেখ্য, বিমান বন্দরে গরু, ছাগল, মহিষের মতো পশুর আনাগোনা লেগেই থাকে। রানওয়েতে গরু-ছাগলের উপস্থিতির দরুন প্রায়শই বিমানের ওঠানামায় দেরি হয়। বিশেষত দেহরাদুনের মতো জঙ্গল অধ্যুষিত এলাকায় জঙ্গল থেকে প্রায়শই বন্যপ্রাণীরা লোকালয়ে চলে আসে। তবে বিমানবন্দরের চিতাবাঘের প্রবেশ নজির স্বরূপ। এর আগে কখনো এমনটা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।