এক মানসিক ভারসাম্যহীনকে বেঁধে রাখায় খাবলে খেয়ে নিল চিতাবাঘ, হতবাক এলেকা বাসী

6
এক মানসিক ভারসাম্যহীনকে বেঁধে রাখায় খাবলে খেয়ে নিল চিতাবাঘ, হতবাক এলেকা বাসী

একটি চিতাবাঘ এক মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষকে খাবলে খেয়ে নিল। খবর সূত্রে জানা গেছে যে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষটিকে তার আত্মীয়রা বেঁধে রেখেছিল একটি খাটের সঙ্গে এবং সেই সুযোগ নিয়ে একটি চিতাবাঘ ভোরের অন্ধকারে এসে এই মানুষটিকে খাবলে খেয়ে নিল।

বাঁচার জন্য কোনোরকমে কিছু ব্যবস্থা করতে পারেনি সেই মানুষটা, এই ধরনের ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটে। গির অরণ্য সংলগ্ণ রয়েছে একটি খামার এবং যেখানে ঘটনাটি ঘটে। খবর সূত্রে জানা গেছে যে ওই বৃদ্ধের বয়স ৭৫ বছর এবং তার নাম মনোজ সাবালিয়া।

ওই বৃদ্ধ গুজরাটের অমৃতপুর নামের একটি গ্রামের বাসিন্দা। জন্ম থেকেই সে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং যার জন্যই মাঝে মাঝে তাকে বেঁধে রাখা হয় কারণ সে অন্যান্য মানুষের ওপর আক্রমন করত। এছাড়া সে চোখে একবার দেখতে না পাওয়ার জন্য করে কুয়াতে পড়ে গেছিল এবং যার জন্যই খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখা হতো ওই বৃদ্ধকে। সুরাটে একটি বিয়ে বাড়িতে অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিল তার বাড়ির সবাই এবং বৃদ্ধার দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিল একজন আত্মীয় এবং একটি কাজের লোকের উপরে।

বুধবারে ঠিক ভোরের সময় দুজনাই গেছিল চাষের খেতে এবং আরে একা ছিল সেই বৃদ্ধা। সেই সময়ে ওই চিতাবাঘ টি ওখানে আসে। তারপরে যখন সেই বৃদ্ধার বাড়ির লোক এসে দেখে তখন দেখে যে সেই বৃদ্ধা ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। শরীরের অনেক অংশই খেয়ে নিয়েছে ওই চিতাবাঘ এইরকম মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুটা কখনোই মেনে নিতে পারছে না কেউ।

গ্রামবাসীরা বলেন যে ঐ বৃদ্ধার মানসিক সমস্যা ছিল এবং যার জন্য যাকে তাকে সে কামড়ে দিত। কিন্তু শরীরের দিক থেকে ভীষন শক্তিশালী ছিল, তার হাতটা খোলা থাকতো তাহলে হয়তো বেঁচে যেতে পারতেন। এ রকম একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মামলা রুজু করা হয়েছে পুলিশের কাছে এবং সেই বৃদ্ধের মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। যারা তাকে বেঁধে রেখেছিল এইটা যদি প্রমাণ হয় তাহলে সেই সব আত্মীয়র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ। আপাতত ওই নরখাদক বাঘটিকে ধরার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে।