জানুন কিশমিশ খেলে শরীরে কি কি উপকারিতা মেলে

30
জানুন কিশমিশ খেলে শরীরে কি কি উপকারিতা মেলে

কিসমিস খেলে অনেক রকমেরই উপকারিতা রয়েছে। আসুন সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক যে কি কি ক্ষেত্রে বেশ উপকারিতা আছে কিসমিস খাওয়ায়। কিসমিস এমন একটি জিনিস যা কেক পায়েস থেকে শুরু করে ফ্রাই রাইস এবং অন্যান্য অনেক রান্নাতেই দেওয়া হয়ে থাকে যার ফলে স্বাদ অনেকটাই বেশি বেড়ে যায় সেই রান্নার। তবেই এই স্বাদ বাড়ানোর সাথে সাথে ও কিসমিসের উপকারিতা রয়েছে সে ব্যাপারেও একটু জেনে নেওয়া দরকার। কিসমিস হলো আঙ্গুর শুকিয়ে কিশমিশে পরিণত হয়।

এই কিসমিসে রয়েছে হাই এনারজি যেটা শরীরে বেশি এনার্জি তৈরি করে। কিসমিসে ফাইবার থাকে বলে যখন সেটি জলে দেওয়া হয় তখন ফুলে ওঠে । কারণ কিসমিসে থাকে অনেক ফাইবার এবং যেটা শুকিয়ে থাকাকালীন শুকিয়ে থাকে কিন্তু যখন এটি জলে পড়ে সেটির জল টেনে নেয় যার ফলে ফুলে ওঠে, এইরকমই যখন এটি আমাদের পেটে যায় তখন পেটে যে সমস্ত ফ্লুইড থাকে সেগুলো কে টেনে কিসমিস ফুলে ওঠে এবং যার ফলে পাকস্থলী থেকে খাবারের নিচের দিকে নামতে অনেকটাই সাহায্য করে।

যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তারা যদি নিয়মিত কিসমিস তবে অনেক বেশি উপকার হবে। ডায়রিয়ার সমস্যাতেও কিসমিস বেশ কাজ করে। ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে খেজুরের সাতেসাতে কিসমিস অনেক বেশি উপকারী কিসমিসে থাকে প্রচুর গ্লুকোজ এবং পোটেনশিয়াল এনার্জি।

বডিবিল্ডারদের সাধারণত কিসমিস খেতে বলা হয় কারণ এতে প্রচুর এনাজি থাকে এবং সঠিক উপায়ে ওজন বাড়ানোর ক্ষমতা থাকে। শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার কে বজায় রাখতে সাহায্য করে কিসমিস। লিবিডো বর্ধনকারী হিসেবে অনেক বেশি ব্যবহার করা হয় কিসমিসকে। কিসমিসের রয়েছে আরজিনিন যা সেক্সুয়াল জনিত সমস্যাকে প্রতিরোধ করে।

স্পার্ম চলাচলে অনেক বেশি সাহায্য করে যার ফলে গর্বধারণের কোন রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না। তবে প্রত্যেক জিনিসই মেপে খাওয়া উচিত কারণ অধিকমাত্রায় কোন কিছু খেলে তার বিপরিত হতে পারে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই কিসমিস খাবেন, কারণ ডায়াবেটিস রোগীর জন্য যথেষ্ট মারাত্মক এই কিসমিস।