আজ জানুন পুজোর সময় স্বস্তিক চিহ্ন আঁকার সমস্ত নিয়মাবলী এবং তার গুরুত্ব

22
আজ জানুন পুজোর সময় স্বস্তিক চিহ্ন আঁকার সমস্ত নিয়মাবলী এবং তার গুরুত্ব

আমরা অনেক সময় বাড়িতে পুজো অনুষ্ঠানের সময় স্বস্তিক চিহ্ন ব্যবহার করে থাকি। এই স্বস্তিক চিহ্ন ব্যবহারের সময় আমরা কিছু নিয়মকানুন পালন করি না। চলুন জেনে নেওয়া যাক স্বস্তিক চিহ্ন সমস্ত নিয়মাবলী এবং তার গুরুত্ব। এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। সাধারণভাবে এর অর্থ হল কল্যান অথবা মঙ্গল। হিন্দুদের পাশাপাশি জৈন এবং বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের কাছে এর আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। যেকোনো শুভ অনুষ্ঠানে এই চিহ্ন দেওয়ার রীতি রয়েছে। অনেক সময় পুজোর স্থানে ঘটের উপর এই চিহ্ন আঁকা হয়।

সূর্যের সঙ্গে এই চিহ্ন সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে। সূর্যকে সেহেতু সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে করা হয়, তাই এই চিহ্নটাকে পবিত্র বলে মনে করেন হিন্দুরা। এই চিহ্নটি কে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল হিটলারের পতাকা তে। ঘরের দেওয়ালে স্বস্তিক চিহ্ন দেওয়া থাকে না তা নেগেটিভ এনার্জি দূর করতে সাহায্য করে। তবে যেমন তেমন করে স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে দিলে চলবে না।

নিখুঁতভাবে যদি এই মঙ্গল চিহ্ন না আঁকা হয়, তাহলে ফল খারাপ হতে পারে। বাড়িতে অথবা মন্দিরে যেখানেই স্বস্তিক চিহ্ন আঁকা হোক না কেন, সেটা যেন সুন্দর এবং স্পষ্ট হয়। পুজোর ঘরে আঁকাবাঁকা করে স্বস্তিক চিহ্ন আসলে তা সম্পূর্ণ হয় না।

কিছু কিছু নিয়ম পালন করা উচিত স্বস্তিক চিহ্ন আঁকার সময়। বাড়িতে যেখানে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকছেন, সেই জায়গা যাতে সুন্দর এবং পরিষ্কার হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। ঘরে কখনো উল্টো করে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকবেন না। এতে অশুভ ফল পেতে পারেন আপনি।

প্রতিদিন পুজোর কাজে কুমকুম দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে দিতে পারেন। ঘরের দেওয়ালে হলুদ দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন আকা থাকলে দাম্পত্য জীবনের সমস্যা দূর হয়ে যায়। বাস্তু তন্ত্র অনুযায়ী বাড়ির মূল দরজায় স্বস্তিক চিহ্ন আঁকা থাকলে বাস্তুদোষ এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এই চিহ্ন মাটি থেকে অনেক উপরে থাকে। শুভ কাজে বেরোনোর আগে এই চিহ্ন দেখে গেলে কাজ শুভ হয়।