জানুন মানসিক অবসাদ রোগের লক্ষণ এবং মুক্তির উপায়

75
জানুন মানসিক অবসাদ রোগের লক্ষণ এবং মুক্তির উপায়

মানসিক রোগ গুলির মধ্যে মানসিক অবসাদ হলো অন্যতম। মানসিক অবসাদ রোগীর দ্বারা মানুষ বিপথে চালিত হতে পারে। মানসিক অবসাদ হল একটি মৃদু মানসিক রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের স্বাভাবিক চিন্তা ধারা ব্যাহত হয়। আমাদের কমবেশি সবার জীবনেই দুঃখ লেগে থাকে অনেক মানুষ এই সমস্যা গুলোকে সামলে উঠতে পারলেও যারা এই সমস্যা গুলোকে সামলে উঠতে পারেনা তারাই আস্তে আস্তে মানসিক অবসাদ এর মধ্যে চলে যান। কিন্তু এই অবসাদ থেকে খুব খুব সহজেই মানুষ আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন তার জন্য দরকার মানসিক রোগের চিকিৎসা করানো। মানসিক অবসাদে ভুগতে কি কি সিমটম দেখা দিতে পারে সেই বিষয়ে চলুন নীচে আলোচনা করা যাক।

১) দু সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে মন খারাপ থাকা।

২) মন খারাপের জন্য রাতে ঘুম আসতে চাইবে না। বা ঘুম এলেও খুব তাড়াতাড়ি তা ভেঙে যাবে সব সময় মনের মধ্যে একটা চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকবে।

৩) খুব অল্প কারণে মেজাজ হারিয়ে ফেলবে।

৪) দেহের ওজন বৃদ্ধি পাবে বা ওজন খুব কমে যাবে।

৫) অতিরিক্ত চিন্তা করার ফলে ঘার এবং অন্যান্য পেশীগুলিতে টান ধরতে দেখা যায়।

৬) মানসিক অবসাদে প্রকার দেখতে কি এতই চিন্তামগ্ন থাকে সেই চিন্তা থেকে মুক্ত হওয়ার কোন পথ না খুঁজে পেয়ে অকারণে কাঁদতে থাকে।

৭) কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

8) মানসিক অবসাদে ভোগে ব্যক্তিরা অনেক সময় আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

উপরের উপসর্গগুলি দেখা দিলেন কোন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে পরামর্শ নিন। প্রতিটি জেলার হাসপাতলে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ থাকেন। মানসিক রোগী অবসাদগ্রস্থ মানুষেরা যখন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান তখন প্রথমেই ডাক্তাররা ওই ব্যক্তির মানসিক রোগের টেস্ট করেন। তারপর সেই রিপোর্ট দেখে কাউন্সিলিং এবং সাময়িক সময়ের জন্য কিছু ওষুধ দেন ও ডিপ ব্রির্ডিং এক্সেসাইজ দেন। এইগুলো নিয়মিতভাবে পালন করলে মাত্র তিন মাসের মধ্যেই মানসিক অবসাদ কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন একজন ব্যক্তি।