জেনে নিন তামার পাত্রে জল খাওয়ার উপকারিতা

5
জেনে নিন তামার পাত্রে জল খাওয়ার উপকারিতা

পৃথিবীতে মানুষ সব থেকে আগে আবিষ্কার করেছিল যে ধাতুটি তার নাম তামা। তামার পাত্রে খাওয়া থেকে শুরু করে জল পান করা সবকিছুই আদিম মানুষ করে এসেছে। কিন্তু পরিবর্তনের হাওয়ায় গা ভাসিয়ে আমরা আজকাল ব্যবহার করি প্লাস্টিক। প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক ব্যবহার করাতে পরিবেশ দূষণের সাথে সাথে বেড়েছে বহু রোগ। কিন্তু আস্তে আস্তে মানুষ আরো একবার পুরনো জীবনে ফিরে যেতে চাইছে। সুস্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে গিয়ে সকলে তামার পাত্রে খাওয়া অভ্যাস করছেন। আজকে আপনাকে বলব কিছু তামার গুনাগুন যা আরো একবার আমার দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সাহায্য করবে।

তামা তে রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এন্টি কারসিনোজেনিক। এইগুলি আপনার শরীর ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া তামার পাত্রে জল রাখলে সেই জলের আয়রন বেশি থাকে। পাশাপাশি অন্যান্য উপাদান আপনার শরীরে একাধিক রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।

হার্টের জন্য ভালো: ধমনীতে রক্ত চলাচল সঠিকভাবে রাখার জন্য আপনি তামার পাত্রে জল খেতে পারেন। রক্ত চলাচল সঠিক থাকলে হার্টের প্রব্লেম হবে না।

হজম প্রক্রিয়া সঠিক রাখে: তামার পাত্রে অথবা গ্লাসে জল খেলে হজমের সমস্যা দূর হতে পারে। তামা হজমে সাহায্য করে। এতে থাকা উপাদান ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে পেটের সমস্যা দূর করে এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখে।

অ্যানিমিয়া দূর করতে সাহায্য করে: অনেক সময় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যাবার ফলে অ্যানিমিয়া সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু আয়রন যুক্ত জল খেলে আপনার শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। তাই যদি আপনার শরীরে থাকে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম, তাহলে অবশ্যই আপনাকে পান করতে হবে তামার পাত্রে রাখা জল। এর পাশাপাশি আয়রন কম থাকলে শ্বেত রক্তকণিকা ও কমতে থাকে, এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে তামা।

থাইরয়েড গ্রন্থির ভারসাম্য বজায় রাখে: শরীরের সঠিক মাত্রায় তামার পরিমাণ থাকলে থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত হরমোন নিঃসরণ হয় না।

হাইপার টেনশন নিয়ন্ত্রণ করে: শরীরে তামার পরিমাণ কম থাকলে রক্ত চাপের তারতম্য ঘটতে পাড়ে।এক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা যায়। তামা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রেখে হাইপারটেনশন রোধ করে। তাই অবশ্যই খেতে হবে তামার পাত্রে জল।

বাতের ব্যথা কমায়: তামা যেকোনো বাতের ব্যথা উপশমে সাহায্য করে।

 বলিরেখা রোধ করে: তামাই প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আপনার শরীরে নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে ফলে আপনার মুখে কোন বলিরেখা পড়ে না।