বাস্তুদোষ বা অন্য যে কোন দোষ কাটাতে জানুন ময়ূরের পালকের ব্যবহার

49
বাস্তুদোষ বা অন্য যে কোন দোষ কাটাতে জানুন ময়ূরের পালকের ব্যবহার

ময়ূরের পালক, এই একটিমাত্র জিনিসে কেটে যেতে পারে আপনার জীবনের নানা অশান্তি এবং দুঃখ। শুধুমাত্র শ্রীকৃষ্ণ নয়, ময়ূরের পালকের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে দেবী সরস্বতী, দেবরাজ ইন্দ্র, মা লক্ষ্মী, কার্তিক এবং গণেশ ঠাকুরের। আর ঠিক এই কারণেই ময়ূরের পালকের মাহাত্ম্য অনেকটাই। যেহেতু শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে এই ময়ূরের পালকের সম্পর্ক রয়েছে তাই হিন্দু ধর্ম মতে ময়ূরের পালকের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।

আপনার জীবনে যদি কোন রকম বাস্তুদোষ অথবা অন্য কোন দোষ থাকে তাহলে আপনি ময়ূরের পালক দিয়ে সেই দোষ কাটিয়ে দিতে পারেন। দোষ কাটানোর জন্য কয়েকটি ময়ূরের পালক নিয়ে একসঙ্গে নিচের দিকে সাদা সুতো দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। এবার “ওম সমায়ে নম” মন্ত্র জপ করতে হবে। এই কাজ করলে আপনার বাড়ির সমস্ত বাস্তু দোষ কেটে যাবে অনায়াসে।

শনির দোষ কাটানোর জন্য তিনটি ময়ূরের পালক নিতে হবে আপনাকে। ময়ূরের পালকগুলি একটি কালো সুতো বেঁধে দিতে হবে। এবার একটি সুপারি নিয়ে ২১ বার ” ওম শৈনকারায়া নম:”মন্ত্রোচ্চারণ করি জল ছিটিয়ে দিতে হবে।

আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য লকারের পাশে একটি ময়ূরের পালক যদি রেখে দিতে পারেন, তাহলে ভালো ফল লাভ করতে পারবেন।

বাড়িতে সর্বদা আনন্দ এবং সুখ বিরাজ করবে যদি ড্রইংরুমে ময়ূরের একটি পেন্টিং রাখতে পারেন।

ময়ূরের পালক আপনার জীবনের যেকোনো বাস্তু দোষ কাটানোর পাশাপাশি বাড়িতে নেগেটিভ এনার্জি প্রবেশ করতে দেয় না। যদি প্রবেশদ্বারে ময়ূরের পালক রাখতে পারেন তাহলে, আপনার বাড়িতে সব সময় পজিটিভ এনার্জি ঘুরে বেড়াবে।

বাড়িতে যদি ছোট শিশু থাকে তাহলে বইয়ের মধ্যে ময়ূরের পালক রেখে দিতে পারেন। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের মনোযোগ নিবেশ হবে পড়াশোনার উপর। অমনোযোগী সন্তান পড়াশুনায় মনোযোগী হয়ে উঠবে।