আজ জানুন হরি বোল’ ধ্বনির মাহাত্ম্য সম্পর্কে

9
আজ জানুন হরি বোল' ধ্বনির মাহাত্ম্য সম্পর্কে

” জন্মিলেই মরিতে হবে অমর কে কথা কবে ।” এই বাক্যটি আমরা সকলেই জানি। সারাজীবনে বেঁচে কেউ থাকে না। প্রতিটা মানুষকেই একদিন এই পৃথিবীর সকল মোহ মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে হয়। কিন্তু যাওয়ার পথে যে ধ্বনি সেই মৃত দেহের কানেও পৌঁছোয় সেই ধ্বনি বাঙালিদের বলো হরি হরি বোল। আর অবাঙালিদের রাম নাম সত্য হায়। তবে এই ধ্বনির মাহাত্ম্য খুব কম লোকই জানে।

এই ধ্বনির বিশাল মাহাত্ম্য। বিদ্বান মানুষেরা মনে করেন সংস্কৃত থেকে আশ্রিত বা সংগৃহীত শব্দবন্ধ ব্যবহৃত হয়ে থাকত ৷ কিন্তু রাম নাম সত্য হ্যায় এটি সরসরি হিন্দি থেকে এসেছে ৷ আমির খোসরুর থেকেই হিন্দি ভাষার প্রচলন হয়েছে ৷ এই ধ্বনি দেওয়ার একটাই কারণ প্রতিটা মানুষেরই শেষযাত্রার হরির পা ধরে পরপারে যাওয়ার জন্যই বলো হরি হরিবোল বলা হয়, যাতে মৃত্যুর পরেও উক্ত ব্যক্তি হরিভক্ত হয়ে থাকেন ৷ যাতে বৈকুণ্ঠে হরির পায়ে স্থান পেতে পারে তার জন্যই এই ধ্বনি দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সারাজীবন ধরে ধর্ম, বর্ণ, ধনী ও দরিদ্র এইসব নিয়ে মানুষ কত বিচার করে থাকে। কিন্তু এই একটা সময়েই সমস্ত কোটিপতি মানুষকেই লোকের ঘাড়ে চেপে চিতায় উঠতে হয়। সারা জীবনের অর্জিত কোনো সম্পদই সাথে নিয়ে যেতে পারে না। আর এখানেই সকল মানুষই সাধারণ সেটা বারে বারে প্রমাণ হয়। আর এই জন্যই হয়তো যুধিষ্ঠীরকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এই পৃথিবীতে সব থেকে আশ্চর্যের কী দেখেছেন তিনি? তিনি যক্ষ রাজাকে বলেছিলেন শ্মশান ঘাটে তিনি সব থেকে আশ্চর্যের জিনিসপত্র দেখে ছিলেন। কারন যখন মানুষের শ্মশান ঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় তখন একটাই আক্ষেপ থাকে যে তখনও তিনি সংসারের মায়া কাটাতে পারেন না ৷