জানুন সীমান্তে সেনা বিহীন দেশগুলি সম্পর্কে

9
জানুন সীমান্তে সেনা বিহীন দেশগুলি সম্পর্কে

সেনাবাহিনী এবং পুলিশ দেশের নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকেন। কোনও দেশের নিরাপত্তার কথা উঠলেই এদের কথা মাথায় আসে। একটি গোটা দেশ তথা দেশবাসীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। পুলিশের দায়িত্ব দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার রক্ষা করা এবং সেনাবাহিনীর দায়িত্ব বাইরের শত্রুর হাত থেকে দেশ, দেশবাসীতে নিরাপদ রাখা। সেনা জওয়ানদের একটা বড় অংশে দেশের সীমানায় পাহারা দেয়।

তাই প্রতিটি দেশে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী থাকা খুবই জরুরি। তবে, পৃথিবীতে এমন অনেক দেশ আছে যাদের সীমান্তে কোনও সেনাবাহিনী নেই।

১। আইসল্যান্ড

আইসল্যান্ডের কোনও স্থায়ী সামরিকবাহিনী নেই। আইসল্যান্ড ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। সৌন্দর্যের দিক থেকেও আইসল্যান্ডের কোনও তুলনা হয় না। এই দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে স্বয়ং ন্যাটো। ১৮৬৯ সাল থেকে এই দেশের সীমান্তে কোনও সেনাবাহিনী নেই। ন্যাটোর সদস্য হওয়ায় দেশের যাবতীয় সুরক্ষার জায়িত্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।

২। সেন্ট লুসিয়া

সেন্ট লুসিয়া দেশটি কমনওয়েলথের সদস্য। এই রাষ্ট্রেরও নিজস্ব কোনও সেনাবাহিনী নেই। তবে দেশের নিরাপত্তার জন্য একটি বিশেষ ইউনিট এবং একটি নৌ-বাহিনী সহ নিজস্ব পুলিশবাহিনী রয়েছে।

৩। মরিশাস

মরিশাস হল ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এখানকার লোকসংখ্যা সাড়ে দশ লক্ষেরও কম। ১৯৮৮ সালে এই দেশ যুক্তরাজ্য বা ইউনাইটেড কিংডম থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। মরিশাসের নিজস্ব এবং নিয়মিত সশস্ত্র কোনও সেনাবাহিনী নেই। তবে দেশের পুলিশ বাহিনী আছে। আর রয়েছে একটি আধাসামরিক ইউনিট। এর পোশাকী নাম স্পেশাল মোবাইল ফোর্স।

৪। মোনাকো

মোনাকো বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র। ফরাসী ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত এই ছোট্টো দেশটি ট্যাক্স হেভেন হিসেবে পরিচিত। মাত্র ০.৭৮ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই ছোট্টো দেশের লোকসংখ্যা মাত্র ৩১,০০০। ১৭ শতকের পর থেকে এদেশে আর কোনও রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনী নেই। তবে, এখানে দুটি ছোটো সৈন্য রয়েছে, একজন রাজপুত্রকে পাহারা দিচ্ছেন এবং একজন অসামরিক লোক।