বড় পূজা মন্ডপ গুলিতে ৪৫ জন থাকতে পারবেন, রিভিউ পিটিশনের শুনানিতে স্বস্তি পুজো উদ্যোক্তাদের

9
বড় পূজা মন্ডপ গুলিতে ৪৫ জন থাকতে পারবেন, রিভিউ পিটিশনের শুনানিতে স্বস্তি পুজো উদ্যোক্তাদের

“ফোরাম ফর দুর্গোৎসব” কমিটির আবেদনের ভিত্তিতে আংশিক নতি স্বীকার করলো কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার রিভিউ পিটিশনের শুনানিতে হাইকোর্টের তরফ থেকে জানানো হলো, বড় পূজা মন্ডপ গুলিতে সর্বাধিক ৪৫ জন থাকতে পারবেন। ছোট পূজা মণ্ডপ গুলির ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাটা কমিয়ে ১০ জন করা হলো। পাশাপাশি ঢাকিদের জন্যেও মণ্ডপের “নো এন্ট্রি” জনে নির্দিষ্ট সুরক্ষা বিধি মেনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।

হাইকোর্টের এই রায় প্রদানে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন পুজো উদ্যোক্তারা। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চ এদিনের শুনানিতে জানিয়েছে, ৩০০ স্কোয়ার মিটার আয়তনের মন্ডপের ক্ষেত্রে মন্ডপ চত্বরে প্রবেশ করার জন্য ৬০ জনের নামের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। উল্লেখ্য, আগে এই সংখ্যাটা কমিয়ে ১৫ থেকে ২৫ জন করা হয়েছিল। পাশাপাশি, পুজো উদ্যোক্তা এবং স্থানীয়দের প্রতিদিন এই তালিকা আপডেট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার অর্থাৎ দুর্গা তৃতীয়ার দিন, কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এবার মণ্ডপে দর্শকের প্রবেশ নিষিদ্ধ। মন্ডপের সীমানার ৫ থেকে ১০ মিটারের মধ্যে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে মণ্ডপে ভিড় না হয়। পাশাপাশি, মন্ডপ গুলিকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে রীতিমতো “নো এন্ট্রি” সাইনবোর্ড টাঙ্গানোর নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত।

তবে আদালতের এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা ঠিক একদিন পরে অর্থাৎ চতুর্থীর দিন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা রিভিউ পিটিশন দাখিল করে “ফোরাম ফর দুর্গোৎসব”। সেই পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ অর্থাৎ পঞ্চমীর দিন কিছুটা হলেও উদ্যোক্তাদের জন্য স্বস্তিদায়ক রায় প্রদান করল কলকাতা হাইকোর্ট।