জেনে নিন শাস্ত্রমতে শরীরে রুদ্রাক্ষ ধারনের উপকারিতা

24
জেনে নিন শাস্ত্রমতে শরীরে রুদ্রাক্ষ ধারনের উপকারিতা

অনেকেই রুদ্রাক্ষের মালা ধারণ করে থাকেন কিংবা গলায় হারের সঙ্গে রুদ্রাক্ষ লকেট হিসেবে ব্যবহার করেন। রুদ্রাক্ষের মালা নিয়ে হিন্দু শাস্ত্রে অনেক কথাই প্রচলিত আছে। তবে শুধুমাত্র হিন্দু সম্প্রদায় নয় বৌদ্ধ এবং বাউলদের মধ্যে এই রুদ্রাক্ষ ব্যবহারের বিশেষ রীতি রয়েছে। আসলে রুদ্রাক্ষ শব্দটি একটি সংস্কৃত ভাষা যার অর্থ হল শিবের চোখ।

শরীরে শক্তি বৃদ্ধি এবং যে কোনও ধরনের কু দৃষ্টি এড়াতে বিশেষ করে শিশুদের গলায় রুদ্রাক্ষ ধারণ করানো হয়। তবে সাধারণ ভাবে যে রুদ্রাক্ষ পাওয়া যায় তার থেকে হিমালয় পর্বতের কোলে যে রুদ্রাক্ষ মেলে সেটিই আসল রুদ্রাক্ষ বলে মনে করা হয়।

1-21 মুখী হয়ে থাকে রুদ্রাক্ষ। জানা যায় একমুখী রুদ্রাক্ষের শক্তি সব থেকে বেশি কারণ এক মুখের যা খেয়ে দেওয়া দিতে মহাদেব পুজিত হয়ে থাকেন তবে এই একমুখী রুদ্রাক্ষ খুবই পাওয়া কঠিন।

তার থেকে পঞ্চমুখী রুদ্রাক্ষ অনেকেই পড়ে থাকেন। তবে শুধুমাত্র রুদ্রাক্ষ ব্যবহারে কিছু ঐশ্বরিক প্রচলিত ধারণায় নয় রুদ্রাক্ষ ধারণ নিয়ে কিছু বৈজ্ঞানিক যুক্তি আছে।

চিকিত্সকরা বলে থাকেন রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে হার্ট ভাল থাকে এবং রক্তের চলাচল খুব সহজ হয়।

এ ছাড়াও রুদ্রাক্ষের মধ্যে যে চৌম্বকীয় শক্তি আছে তা আমাদের শরীরে কিছু কেমিকেল তৈরী করে যেগুলি যে কোনও ধরনের শারীরিক সমস্যা সমাধানে সহজেই কাজ দেয়।