পূজা পার্বণে এই চিহ্নটি আঁকার আগে জেনে নিন কিছু নিয়ম! অন্যথায় পড়বেন বিপদে

20
পূজা পার্বণে এই চিহ্নটি আঁকার আগে জেনে নিন কিছু নিয়ম! অন্যথায় পড়বেন বিপদে

পূজা পার্বণ অথবা যে কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে আমরা সব সময় স্বস্তিক চিহ্ন টি ব্যবহার করে থাকি। আলপনা দিবার সময় অথবা পুজো করার সময় এই চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় এই চিহ্নের অর্থ আমরা না বুঝেই ব্যবহার করে ফেলি। কিন্তু ব্যবহার করার সাথে সাথে আমাদের বোঝা উচিৎ এই চিহ্নের আসল অর্থ। স্বস্তিক শব্দটি মূলত সংস্কৃত একটি শব্দ। এর অর্থ হলো কল্যাণ। সূর্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যোগ আছে বলে মনে করা হয়। সূর্যদেবকে যেহেতু সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে করা হয়, তাই স্বস্তিক চিহ্ন টিকেও পবিত্র বলে মনে করে হিন্দুরা।

তবে শুধুমাত্র হিন্দু নয়, বৌদ্ধ এবং জৈন ধর্মের মানুষেরা এই চিহ্নটি ভীষণ ভাবে মেনে চলেন। তবে স্বস্তিক চিহ্ন এর প্রত্যেকটি টানের সঙ্গে রয়েছে নির্দিষ্ট একটি নিয়ম। নিয়ম মেনে যদি আপনি স্বস্তিক চিহ্ন অংকন না করেন তাহলে সমস্যার মুখে পড়তে হবে আপনাকে।

তাই তাড়াতাড়ি জেনে নিন এই স্বস্তিক চিহ্ন আকার বেশ কিছু নিয়ম।

বাড়িতে যে স্থানে এই চিহ্নটি রাখতে চান সেই স্থান সুন্দর এবং পরিষ্কার হওয়া উচিত।

অস্পষ্টভাবে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকা উচিত নয়।

স্বস্তিক চিহ্ন টি উল্টোদিকে একেবারে রাখবেন না।

ঘরে সর্বদা সোজাসুজিভাবে এই চিহ্নটি রাখা উচিত।

কুমকুম দিয়ে সব সময় স্বস্তিক চিহ্ন আঁকা চেষ্টা করবেন।

কোনো দম্পতি যদি নিজেদের জীবন থেকে সমস্যা দূর করতে চায়, তাহলে তাদের হলুদ রং দিয়ে স্বস্তিক অঙ্কন করতে হবে।

বাস্তু দোষ কাটাতে চাইলে ঘরের মূল দরজার ওপর এই চিহ্নটি আঁকতে হবে।