জন্মাষ্টমী উৎসব পালনের আগে জেনে নিন কিছু নিয়ম! যা আপনাকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করবে

37
জন্মাষ্টমী উৎসব পালনের আগে জেনে নিন কিছু নিয়ম! যা আপনাকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করবে

আগামীকাল পালন হতে চলেছে জন্মাষ্টমী। হিন্দু ধর্মালম্বীদের কাছে এই উৎসবের একটি আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। বৈষ্ণব ধর্মালম্বী মানুষের কাছে একটি বিশেষ গুরুত্ব লাভ করে। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদের পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। প্রতিবছর তার জন্মদিন ধুমধাম করে জন্মাষ্টমী উৎসব হিসেবে পালন করা হয়। তবে এই উৎসব পালন করার আগে আপনাদের জেনে নেওয়া উচিত কোন কোন কাজ করলে আপনার হতে পারে সমূহ বিপদ।

শ্রীকৃষ্ণ তুলসী পাতা ভীষণ পছন্দ করেন। জন্মাষ্টমী প্রসাদ কাউকে দেবার আগে অবশ্যই তুলসী পাতা দিয়ে দেবেন তার মধ্যে।

কোন লোহার প্রদীপ অথবা স্টিলের প্রদীপ ব্যবহার করবেন না জন্মাষ্টমী পূজা করার সময়। শ্রীকৃষ্ণের পুজোর সময় তামা, পিতল এবং মাটির প্রদীপ ব্যবহার করতে হবে আপনাকে।

কৃষ্ণের পূজার ফুল ব্যবহার করবেন দেখবেন তা যেন অবশ্যই টাটকা হয়। পুরনো বাসি ফুল কখনোই পুজোর কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়।

জন্মাষ্টমীতে পুজো শেষ করার আগে আহার করলে চলে না। এমনকি এক কাপ চা ও যদি আপনি পান করেন তাহলে বুঝতে পারবেন না আপনি। পুজোয় বসার আগে শুধুমাত্র ব্রাশ করে পুজো করতে বসতে হবে আপনাকে।

জন্মাষ্টমীতে অবশ্যই পরিষ্কার জামা কাপড় পড়ে পুজোতে বসবেন।

জন্মাষ্টমীর দিনে একটি রূপোর বাঁশি কিনে রাখুন। পুজো করার সময় গোপালের সামনে এই বাঁশিটি রেখে দিন। পূজো হয়ে গেলে নিজের টাকার ব্যাগে বাঁশিটি রেখে দিলে আপনার জীবনে কখনো আর্থিক অনটন দেখা যাবে না।

এদিন শ্রীকৃষ্ণের প্রসাদ হিসেবে মাখন এবং মিছরি অবশ্যই খেতে হবে আপনাকে।

জন্মাষ্টমীর দিন কৃষ্ণ ও বলরামের মূর্তিতে মনে করে রাখি বাঁধবেন।

জন্মাষ্টমী পূজাতে শঙ্খের মধ্যে একটু দুধ রেখে দিলে আপনার জীবন থেকে অভাব-অনটন চিরকালের জন্য বিদায় নেবে।

এদিন একটি গরু অথবা বাছুরের মূর্তি অবশ্যই ঘরে নিয়ে আসুন। যেহেতু শ্রীকৃষ্ণ একজন গোপালক ছিলেন, তাই এই মূর্তি আপনার জীবন থেকে দুঃখ-দুর্দশা দূর করে দেবে।

শ্রীকৃষ্ণের খুবই প্রিয় একটি বস্তু হল ময়ূরের পালক। এই ময়ূরের পালক মাথায় ব্যবহার করতেন তিনি। জন্মাষ্টমী দিন বাড়িতে যদি ময়ূরের পালক নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে সমস্ত দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তি পাবেন আপনি।