সবশেষে দাউদের নিশানায় পড়তে চলেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত, এমনটাই আশঙ্কা বিজেপি বিধায়ক নন্দকিশোরের

9
সবশেষে দাউদের নিশানায় পড়তে চলেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত, এমনটাই আশঙ্কা বিজেপি বিধায়ক নন্দকিশোরের

দেশে ফিরবে নাকি ফিরবে না, এরকম বহু মানুষের বহু প্রশ্নের অবসান ঘটেছে কাল। গতকাল মানালি থেকে মুম্বাই তে ফিরে এসেছেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে সবথেকে বেশি যদি কেউ সোচ্চার হয়ে থাকেন তাহলে বলিউডের কুইন’ কঙ্গনা রানাওয়াত। শুধুমাত্র সুশান্তের মৃত্যু নয়, মুম্বাই পুলিশের অকর্মণ্যতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে নতুন নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি।

তার মুম্বাইতে ফিরে আসার আগেই মঙ্গলবার পালিয়ে গেলে তার প্রোডাকশন হাউজ এর বাইরে বিএমসি একটি নোটিশ ঝুলিয়ে দেয়। তা ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই অভিনেত্রী তরফ থেকে কোনো জবাব না পাওয়ায় বুধবার দুপুর বেলা বুলডোজার, জেসিবি মেশিন, এবং ক্রেন নিয়ে কঙ্গনা রাওয়াত এর অফিস ভাঙ্গা শুরু করে দেয় বিএমসি। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে করার আগে একবার নিজের ক্ষোভ উগরে দেন। উচ্চ আদালতে বিচারের আবেদন জানানোর পর শীর্ষ আদালত আপাতত কঙ্কণার অফিস ভাঙ্গার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।

এই অবস্থায় মহারাষ্ট্র সরকার এবং শিব সেনার মধ্যে সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। বিবাদ লেগেছে করনি সেনা এবং শিব সেনার মধ্যে। উত্তর প্রদেশের বিজেপির বিধায়ক নন্দকিশোর গুর্জর এবার আশঙ্কা করছেন যে, সবশেষে দাউদের নিশানায় পড়তে চলেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কে এমন একটি চিঠি পাঠান নন্দকিশোর গুর্জর। সেখানে তিনি দাবি করেন যে, অপরাধজগতের বেতাজ বাদশা দাউদ ইব্রাহিমের ডি কোম্পানি থেকে নাকি বারবার তার কাছে খুনের হুমকি ফোন আসতে থাকে। আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে ক্রমাগত তার কাছে ফোন আসছে। দাউদ ইব্রাহিমের ইশারাতে যেকোনো সময় তাকে খুন করে দেওয়া হবে বলে মনে করছেন তিনি। শুধুমাত্র নিজের প্রাণহানির আশঙ্কা নয়, নিজের পাশাপাশি অভিনেত্রীর ওপর যে কোন সময় হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন উত্তর প্রদেশের বিজেপির বিধায়ক।

প্রাক্তন গোয়েন্দা আধিকারিক এন কে সুদ কিছুদিন আগে দাবি করেছিলেন, সুশান্তের আত্মহত্যার সঙ্গে কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিমের যোগাযোগ রয়েছে। ইব্রাহিম মুম্বাইতে না থাকলেও মুম্বাইয়ের সমস্ত কাজকর্ম এখনো রয়েছে তার হাতে। অর্থ, বল কিংবা সমাজের উচ্চ পদস্থ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে এখনো খুবই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে দাউদের। তিনি এখনো মুম্বাই কে নিয়ন্ত্রণ করে চলেছেন সমানভাবে। তার সাহায্যে অভিনেতাকে ছক কষে খুন করা হয়েছিল, এবং সুশান্তের মৃত্যুর পর যেভাবে সরব হয়েছেন কঙ্গনা, তাতে যে কোন সময় বড়োসড়ো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে অভিনেত্রীর।