শুধুই কি গিরগিটি? দেহের রং বদলাতে পারে এই প্রাণীগুলিও

4
শুধুই কি গিরগিটি? দেহের রং বদলাতে পারে এই প্রাণীগুলিও

আমরা সবাই জানি যে গিরগিটি নিজের শরীরের রং পরিবর্তন করতে পারে। গিরগিটি ছাড়াও প্রাণীকুলে এমন অনেক প্রাণী আছে যারা নিজেদের রং পরিবর্তন করতে পারে চলুন আজকে এই বিষয়ে একটু আলোচনা করা যাক কোন কোন প্রাণীর নিজেদের পরিবর্তন করতে পারে– সি হর্স নামে একটি সামুদ্রিক প্রাণী আছে যারা নিজেদের নাম পরিবর্তনে সক্ষম। এরা যে শুধু ভয় পেলেই নিজেদের রঙ বদলায় এমন নয়। নিজেদের ভাবনাচিন্তার সময়েও রঙ পরিবর্তন করে ফেলে৷ এদের শরীরের মধ্যে ক্রোমেটোফোর্স বলে একটি পদার্থ থাকে৷ যার ফলে এরা বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন রঙে পরিবর্তিত হতে পারে৷ এরা তাদের সঙ্গীর সাথে যখন মিলিত হয় তখন এরা ধীরে ধীরে নিজেদের রঙ বদলায়৷

গোল্ডেন টরটোয়েজ বিটল নামে এক পতঙ্গ আছে। যাদেরকে মানুষ স্পর্শ করতে গেলে নিজেদের রং বদলে ফেলে। এরা তখন ভয় পায় তখন এরা রঙ বদলে চারপাশারে জিনিসের কাছাকাছি রঙ ধারণ করে৷ কখনও ফুলপাতা , কখনও আবার মাটির রং নিজেদের শরীরে নিয়ে নেয়৷ এই পতঙ্গ নানান রঙের হলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে এরা উজ্জ্বল লাল রঙের হয়৷ যে সমস্ত সমুদ্রীক জীব রং পরিবর্তনে সক্ষম এদেরমধ্যে একটি হল মিমিক অক্টোপাস৷ এদের অবস্থান প্রশান্ত মহাসাগরীয়তে। এরা খুবই বুদ্ধিমান হয়৷ এদের দায়িত্ব খুব নরম হয় নরম হয় এই কারণে এরা এভাবে রঙ বদলাতে পারে৷

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ট্রি ফ্রগও রঙ বদলাতে পারে৷ এদেরকে উত্তর আমেরিকায় দেখতে পাওয়া যায়৷ ট্রি ফ্রগের পা খুব চটচটে হয় এরজন্য এরা সহজে একটি গাছঠ থেকে অন্য গাছে লাফিয়ে চলে যেতে পারে৷ আসন্ন বিপদ কে বুঝতে পেরেএরা দ্রুত রঙ পরিবর্তন করে নেয়৷ এরা এমনই রং ধারণ করতে পারে যে গাছের মধ্যে এরা থাকলেও এদের কে খুঁজে পাওয়া যাবে না একদম গাছের সঙ্গে মিশে যায়। এরা মরশুম অনুযায়িও রঙ পরিবর্তনের সক্ষম৷ গরমকালে হলুদ পাতার সঙ্গে হলুদ হয়ে মিশে যায়৷

মঙ্কফিশ নামে এই জীবটি সমুদ্রতলে একদম লেগে থাকে৷ এমনভাবেই সমুদ্র তলের সঙ্গে আটকে থাকে তাকে সমুদ্রতল থেকে আলাদা করে চেনা যায় না। মাছ এদেরকে পতঙ্গ ভেবে এদের দিকে গেলেই তাদেরকে মঙ্কফিশ খেয়ে নেয়৷ এক ধরনের মাছ আছে তারা নিজেদের রঙ বদলাতে পারে৷ এরা এদের চোখ দিয়ে রং বদলায়। যা বিভিন্ন এলাকা বদলানোর সাথে সাথে নিজেদের রং বদলে ফেলে। গ্লাস স্কিড নামে এক সামগ্রিক পতঙ্গ রং বদলাতে পারদর্শী৷ এদের শরীর খুব স্বচ্ছ হয়। এতই স্বচ্ছ হয় যে শরীরের মধ্যে দিয়ে আলো প্রবেশ করতে সক্ষম।