বঙ্গ বিজেপি সমর্থকদের বিরোধিতায় মত বদলেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি, কটাক্ষ বিজেপির

7
বঙ্গ বিজেপি সমর্থকদের বিরোধিতায় মত বদলেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি, কটাক্ষ বিজেপির

আসন্ন একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলবদলের মরসুমে তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী, বিধায়ক, সাংসদ দল ছেড়ে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি করতে আজ মেদিনীপুরে পাড়ি জমিয়েছেন। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম বিজেপি দলের নতুন সদস্যদের নামের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। শুভেন্দু অধিকারী, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, শীলভদ্র দত্তের মতো হেভিওয়েট নেতারা যেমন সেই তালিকায় রয়েছেন, তেমন আরো অনেক তৃণমূল সমর্থক রয়েছেন সেই লিস্টে।

এরা প্রত্যেকেই বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই তৃণমূল দলের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করছিলেন। তবে আরও একজন আছেন তিনি সম্প্রতি দলের প্রতি তার ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তিনি হলেন আসানসোল পুরসভার প্রাক্তন প্রশাসক তথা বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তার হাবভাব দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন তিনিও সম্ভবত অচিরেই দলত্যাগীদের লিষ্টে নাম লেখাবেন। তবে শেষমেষ সেটা আর হলো না।

শুক্রবার সকালেই জিতেন্দ্র তিওয়ারি জানিয়ে দিলেন, “দিদির কষ্ট” তিনি সইতে পারছেন না। তার আচরণে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি কষ্ট পেয়েছেন। এটা জেনে তিনি আর দলের থেকে মুখ ঘুরিয়ে থাকতে পারছেন না। তাইতো পুরনো অসন্তোষ ভুলে আবারো দলে ফিরতে চাইছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তার দল ত্যাগের পূর্বসিদ্ধান্তের জন্য ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন তিনি। তবে মুখে যাই বলুন না কেন, জল্পনা এড়াতে পারছেন না তিনি।

রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, “দিদির কষ্ট” নয়, বরং বঙ্গ বিজেপি সমর্থকদের বিরোধিতা এড়াতে পারেননি জিতেন্দ্র তিওয়ারি। কারণ, বঙ্গ বিজেপির নেতা নেত্রীরা তাকে দলে চাইছেন না। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা বাবুল সুপ্রিয় ইতিমধ্যেই জিতেন্দ্র তিওয়ারির প্রতি তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এর থেকেই রাজনৈতিক মহলের জোর গুঞ্জন চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে বাধা পেয়েই মত বদলেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। নতুবা মেদিনীপুরের আজকের জনসভায় তাকেও দেখা যেত।