সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু সেই সম্পর্কের মর্যাদা রাখতে পারেননি রত্নাঃ শোভন

9
সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু সেই সম্পর্কের মর্যাদা রাখতে পারেননি রত্নাঃ শোভন

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে সরগরম নেট দুনিয়া। এমনিতেই তাদের নিয়ে বিতর্ক কিছু কম ছিলনা, এখন আবার বান্ধবীর সিঁথিতে সিঁদুর তুলে দিয়ে নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তার প্রাক্তন স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ও তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলে শাসিয়েছেন। সম্প্রতি এর জবাব দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

শোভনের বক্তব্য, রত্নার সঙ্গে তিনি সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু সেই সম্পর্কের মর্যাদা রাখতে পারেননি রত্না নিজেই। শোভন অভিযোগ তুলেছেন, রত্না এবং তার পরিবার শোভনের টাকা তছরূপ করেছেন। হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্টের প্রসঙ্গ তুলে রত্না চট্টোপাধ্যায় কার্যত স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন যে শোভন এবং বৈশাখী যা করছেন তা কার্যত আইন বিরুদ্ধ।

পাল্টা শোভনের বক্তব্য, হিন্দু মেরেজ অ্যাক্টের রেজিস্ট্রেশন করা, সাত পাকে বাঁধা পড়া সম্পর্কের মর্যাদা রাখতে হয়। তার জন্য বিশ্বাস যোগ্যতা প্রয়োজন। তবে রত্না চট্টোপাধ্যায় তার থেকে অনেক দূরে চলে গিয়েছেন। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শুধু একটা সই করলে আর সাত পাকে বাঁধা পড়লেই বিয়ে হয় না। বিয়ের জন্য যে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রয়োজন তা রত্নার ছিল না বলে অভিযোগ করেন শোভন।

বৈশাখীর সিঁথিতে সিঁদুর দান প্রসঙ্গে শোভনের বক্তব্য, দশমীর দিনে যা হয়েছে তাই বাস্তব। তারা দুজনে দুজনকে সম্মান করেন। সেই সম্মানের মনোভাব থেকেই বৈশাখীর সিঁথিতে সিঁদুর তুলে দিয়েছেন শোভন। তবে বৈশাখী প্রসঙ্গে রত্না যে অপশব্দ ব্যবহার করেছেন তাতে কার্যত তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখা যায় না। স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন আলাদা থাকলে বিবাহ এমনিতেই বাতিল হয়ে যায়। তাই রত্না যে মিথ্যা কে আঁকড়ে ধরে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই বলেই দাবি করেন শোভন।