পাকিস্তানেও ইসলামিক শরিয়ৎ আইন লাগু করা হবে! জানালো জেল মুক্তি তেহরিক-ই-তালিবান নেতা

17
পাকিস্তানেও ইসলামিক শরিয়ৎ আইন লাগু করা হবে! জানালো জেল মুক্তি তেহরিক-ই-তালিবান নেতা

আফগানিস্তানে তালিবানি শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়া নিয়ে সারা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, পাকিস্তানের সহায়তা পেয়েই তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করে নেওয়ার মতো অসাধ্য সাধন করেছে। এমনকি আফগানিস্তান সরকারের তরফ থেকেও বারবার দাবি করা হয়েছে যে, পাকিস্তান তালিবানের মাধ্যমে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে লড়ছে। আফগানিস্তানে তালিবানি শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তাদের স্বাগত জানিয়েছেন।

তালিবান সরকারকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, দাসত্বের শৃঙ্খল ছেড়ে বেড়িয়ে এসেছে আফগানিস্তান। তবে পাকিস্তানের এই মনোভাব কার্যত তাদের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ এতদিন পর্যন্ত তেহরিক-ই-তালিবান নেতা মৌলবি ফকির মহম্মদ আফগানিস্তানের জেলে বন্দী ছিলেন। তালিবানরা সম্প্রতি তাকে মুক্তি দিয়েছে। ফকির পাকিস্তানেও আফগানিস্তানের মতো ইসলামিক শাসন কায়েম করতে চায়।

তেহরিক-ই-তালিবান দ্বারা জারি করা একটি ভিডিওতে ফকির মহম্মদ জানিয়েছেন যে পাকিস্তানেও ইসলামিক শরিয়া আইন লাগু করতে চায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ফকিরের মুক্তি কার্যত আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের জন্য আশঙ্কার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়াতে পারে। এর আগে আশরাফ গনি সরকার তেহরিক-ই-তালিবান গোষ্ঠীর বহু জঙ্গিকে জেলবন্দি করেছিল।

তবে তালিবানরা এসে তাদের প্রায় প্রত্যেককেই মুক্তি দিয়েছে। এদিকে ফকিরের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। অতএব যে তালিবানি শাসনকে স্বাগত জানিয়েছে পাকিস্তান, ভবিষ্যতে তাই তাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কূটনৈতিক মহলের আশঙ্কা, আফগানিস্তান দখলের পর এবার পাকিস্তানের দিকেও দখল অভিযান চালাবে তালিবানরা। নেতৃত্ব দেবে ফকির।