৩০ এর কোটায় মা হওয়া কি ঝুঁকিপূর্ণ? জানুন কি বলছে গবেষকরা

5
৩০ এর কোটায় মা হওয়া কি ঝুঁকিপূর্ণ? জানুন কি বলছে গবেষকরা

আমাদের জীবনে সন্তান ধারণ করতে পারে অর্থাৎ ভগবানের আশীর্বাদ পাওয়া। কিন্তু সন্তান ধারণ করার জন্য আমাদের দরকার সুস্বাস্থ্য। যেকোনো বয়সেই সন্তান ধারণ করা উচিত নয়। চিকিৎসকদের মতে কোন কোন সময় সন্তান ধারণ করার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময় চলুন দেখে নেওয়া যাক।

একটি গবেষণায় জানা গিয়েছে, একজন মহিলা নির্দিষ্ট সংখ্যক ডিম্বাণু নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের পর তার ক্ষয় হয়ে যায়। পরে আর কোন ডিম্বাণু উৎপাদন হয় না। ফলে সন্তান জন্ম দেওয়া ভীষণভাবে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে বহু বছর পর্যন্ত শুক্রাণু উৎপন্ন হতে পারে। অর্থাৎ সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় মায়ের ভূমিকা সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মেয়েদের ক্ষেত্রে 24 বছর হল সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সময় গর্ভধারণের ক্ষেত্রে। এইসময় উৎপাদিত ডিম্বাণু গুলিতে জেনেটিক সমস্যা সাধারণত কম থাকে। গর্ভপাত হয় না। কিন্তু বয়স যদি কম থাকে তাহলে সন্তানের বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই বয়সে মেয়েরা মা হওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে না। তাই সন্তান হওয়ার সঠিক সময় ২৪ বছর এবং তার উর্ধে।

অধিকাংশ মানুষ বর্তমানে ক্যারিয়ার নিয়ে ভীষণভাবে সচেতন। তাই অনেকেই ত্রিশের কোঠায় গিয়ে বিয়ে করেন। স্বাভাবিকভাবেই তিরিশের পর তারা মা হন। শারীরিক জটিলতা না থাকলে মা হওয়া তেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয় না। কিন্তু ৩৫ এর পর গর্ভবতী হওয়ার ক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

আজকাল অনেকেই থাইরয়েড এবং পিসিওডি সহ নানান রোগে আক্রান্ত হন। তার গর্ভধারণের আগে ডাক্তারি পরামর্শ নেওয়া উচিত। 40 বছর বয়সে মা হওয়া সমস্যা জনক এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এই বয়সে ডিম্বাণু অনেকটা কমে যায়। সাথে ব্লাড প্রেসার এবং ডায়াবেটিসের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। ফলে আগত সন্তানের জন্ম দেবার সময় অনেক সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাই চিকিৎসক এর মত অনুযায়ী ২০ বছর বয়স ৪০ বছর বয়সে মা হওয়া একেবারেই উচিত নয়। মা হতে গেলে ২৫ থেকে ৩৫ এর মধ্যেই প্ল্যানিং করা প্রয়োজন।