সম্প্রতি গ্লোবাল টিচার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হলেন ভারতের শিক্ষক রনজিতসিন দিসালে

22
সম্প্রতি গ্লোবাল টিচার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হলেন ভারতের শিক্ষক রনজিতসিন দিসালে

সম্প্রতি গ্লোবাল টিচার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হলেন মহারাষ্ট্রের সোলাপুরের শিক্ষক রনজিতসিন দিসালে। এই প্রথম কোন ভারতীয় শিক্ষক এমন সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ৩২ বছর বয়স্ক এই শিক্ষক মহারাষ্ট্র সোলাপুর জেলার পরিতেওয়াডির জেপি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত আছেন। নারী শিক্ষা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে কিউআর কোড ব্যবহারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্যেই এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন দিসালে।

সম্মানে ভূষিত হওয়ার পর মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কেশিয়াড়ি দিসালেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং সম্বর্ধনা জানিয়ে রাজ্যপাল লিখেছেন, লন্ডনের বার্কলে ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে গ্লোবাল টিচার সম্মানে ভূষিত হয়েছেন রনজিতসিন দিসালে। তিনি গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে শিক্ষার আলো পৌছে দিয়েছেন। শিক্ষার বিস্তারের প্রতি তিনি যে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন তার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার পেলেন রনজিতসিন দিসালে।

উল্লেখ্য লন্ডনের বার্কলে ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে তিনি যে পুরস্কার (গ্লোবাল টিচার অ্যাওয়ার্ড) পেয়েছেন সেই পুরস্কারে মূল্য স্বরূপ তিনি এক মিলিয়ন ডলার পেয়েছেন পেয়েছেন, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় সাত কোটি টাকার সমান। বিশ্বের ১৪০টি দেশের প্রায় ১২ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা রনজিতসিনের সঙ্গে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। এই ১২ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে চূড়ান্ত দশ জনের তালিকায় প্রথম স্থানাধিকারী ছিলেন রনজিতসিন।

এমন পুরস্কার পেয়ে স্বভাবতই বেশ আপ্লুত রনজিতসিন। তবে তিনি প্রকৃত শিক্ষকের মতোই শিক্ষাকে কেবল নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না। সেজন্য তিনি এক অভিনব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তিনি তার পুরস্কার মূল্যের অর্ধেক বাকি নয় জন চূড়ান্ত তালিকা ভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দিতে চান। যাতে এই পুরস্কার মূল্য পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলিতেও শিক্ষার বিস্তারে সহায়তা করতে পারে। এমন শিক্ষক কজনই বা হতে পারেন?