সীমান্তে চীনের আগ্রাসী মনোভাবের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ভারত, চীনের প্রতি কড়া বার্তা কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর

5
সীমান্তে চীনের আগ্রাসী মনোভাবের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ভারত, চীনের প্রতি কড়া বার্তা কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর

সম্প্রতি সংসদের বাদল অধিবেশন রাজ্যসভায় বিবৃতি দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জানালেন, লাদাখে ভারতীয় ভুখন্ডের ৩৮ হাজার বর্গ কিমি জায়গা নিজেদের দখলে রেখেছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার লোক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে চীনের সীমান্ত আগ্রাসনের প্রতি সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন রাজনাথ সিং। লোকসভায় দাঁড়িয়ে চীনের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে তিনি জানান, সীমান্তে চীনের আগ্রাসী মনোভাবের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ভারত।

এদিন তিনি জানিয়েছিলেন, সীমান্তে চীনের সেনাবাহিনীকে ঠেকাতে সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। অতএব ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রতি নজর দিলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফ থেকে তার যোগ্য জবাব পাবে চীনের লাল ফৌজ। উল্লেখ্য, ভারত-চীন সীমান্ত সংঘাত মেটানোর জন্য উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে চীন শান্তি প্রতিষ্ঠার রাজি হলেও পরক্ষনেই দেখা গেছে সীমান্তে শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে পিপলস লিবারেশন আর্মির সদস্যরা।

এদিকে চীনের সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসের রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, সীমান্তে চীনের সেনাবাহিনীর চাপেই নাকি ভারত শান্তির পথে এগোতে চাইছে। গ্লোবাল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, সীমান্তে চীনের অবস্থান দেখে ভারত বুঝে গেছে, চীনের সাথে শত্রুতা করলে ভারতের ক্ষতি হবে। তাই ভারত নিজে থেকেই শান্তির পথে আসতে চাইছে। প্রসঙ্গত, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে অবশ্য শান্তির বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

লোকসভার অধিবেশনে বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, চীনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত। উল্লেখ্য, লোকসভার অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের প্রশ্নের জবাবে বিদেশমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী ভি মুরলিধরণ এদিন লিখিতভাবে জানান, সীমান্ত সংঘাতের কারণে ভারত এবং চীনের মধ্যে সম্পর্ক ক্ষুন্ন হয়নি। বর্তমানের সাময়িকভাবে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে কিছু তিক্ততার সৃষ্টি হলেও, দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রই নিজেদের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান করতে চায়।