দুর্নীতির নিরিখে এশিয়ায় মধ্যে প্রথম ভারত! সমীক্ষার উঠে এল এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

16
র্নীতির নিরিখে এশিয়ায় মধ্যে প্রথম ভারত! সমীক্ষার উঠে এল এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

দুর্নীতির নিরিখে গোটা এশিয়ায় কি সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছে গেল ভারত? সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষার রিপোর্ট থেকে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যই তো পাওয়া যাচ্ছে! ঘুষ নেওয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধহস্ত ভারতীয়রা, সমীক্ষার রিপোর্ট অন্তত তাই বলছে। Transparency International নামক একটি সংস্থার সমীক্ষার ফলাফলে জানানো হলো, গোটা এশিয়ার মধ্যে ঘুষের কারবার সবথেকে বেশি চলে ভারতে। সমীক্ষার এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট স্বভাবতই ভারতের মাথা রীতিমতো হেঁট করে দিয়েছে।

Transparency International এর তরফ থেকে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, স্কুলের অ্যাডমিশন হোক কিংবা হাসপাতালের বেড বুকিং, সরকারি পরিষেবা হোক কিংবা কর্মসংস্থান, ঘুষের কারবার সর্বত্রই রমরমিয়ে চলছে। এশিয়ার প্রতিটি দেশে ঘুষের প্রভাব বুঝতে যে সমীক্ষা করা হয়েছিল, সেই সমীক্ষায় ভারতের স্থান সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কম্বোডিয়া। রিপোর্ট বলছে, সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ ভারতীয় মনে করছেন বিগত এক বছরে দেশে দুর্নীতির মাত্রা বেড়েছে।

বাকি ৬৩ শতাংশ মানুষের বিশ্বাস, দুর্নীতি দমনে বেশ ভালোই কাজ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থাৎ, মোদি সরকারের প্রতি অটুট বিশ্বাস প্রদর্শন করেছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৬৩ শতাংশ মানুষ। তবে তারা এও জানিয়েছেন, এদেশে ৩৯ শতাংশ ক্ষেত্রে ঘুষ দিয়ে কাজ আদায় করতে হয়। সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ৪৬ শতাংশ মানুষকে উপর মহলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয়।

৩২ শতাংশ মানুষ স্বীকার করেছেন, তারা যদি ঘুষ না দিতেন তাহলে তাদের কাজ আদায় হতো না। চলতি বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ১৭টি দেশের ২০ হাজার মানুষের উপর সমীক্ষা চালিয়ে পুলিশি পরিষেবা, আদালত, সরকারি হাসপাতাল, পরিচয়পত্র সংগ্রহ ও অন্যান্য পরিষেবা ক্ষেত্রে ঘুষের প্রভাব কতখানি, সে সম্পর্কে একটি রিপোর্ট বানানো হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, জাপান এবং মালদ্বীপে সবথেকে কম ঘুষ নেওয়া হয়। এখানে এই দুই দেশে মাত্র ২ শতাংশ ক্ষেত্রে ঘুষ নেওয়া হয়, সেখানে ভারতের এই অবস্থান ভারতীয়দের জন্য রীতিমতো উদ্বেগের বিষয়।