দ্বিতীয় পর্যায়ের লকডাউনে একাধিক ক্ষেত্রে শিথিলতা আনল মুখ্যমন্ত্রী

21
দ্বিতীয় পর্যায়ের লকডাউনে একাধিক ক্ষেত্রে শিথিলতা আনল মুখ্যমন্ত্রী

আজ থেকে রাজ্যজুড়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের লকডাউন শুরু হচ্ছে। লকডাউনের এই পর্বে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন থেকে দুপুর বারোটা থেকে বিকেল তিনটে পর্যন্ত খুচরো বাজার খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। লকডাউনের এই পর্বে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ১০ শতাংশ কর্মী নিয়ে অফিস খুলতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। এর সঙ্গে তিনি আরো জানিয়েছেন যে, টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে এমন শ্রমিককে দিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করা যেতে পারে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করে বলেন, ১০ শতাংশ কর্মী নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির অফিস গুলি খুলে কাজ করা যেতে পারে এই লকডাউন পর্বে। একইসঙ্গে তিনি জানান দুপুর ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত খুচরো বাজার খোলা থাকবে। লকডাউনের প্রথম পর্যায়ে কড়া সর্তকতা বিধি মেনে চলার দরুন সংক্রমণের হার অনেকখানি কমেছে। যে কারণে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরো বলেছেন, নির্মাণ শ্রমিকদের মধ্যে যাদের টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে তারা কাজ করতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্য তাদের মাস্ক পরে, করোনা বিধি মেনে কাজ করতে হবে। একইসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আফটার ইফেক্ট নিয়েও আলোচনা করেছেন। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবনের সুন্দরী সহ অন্যান্য গাছ লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ঘূর্ণিঝড় প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, নীতি আয়োগের থেকে ৫০০ ফ্লাড শেল্টারের তৈরি করার টাকা চাইবে রাজ্য। একইসঙ্গে কোল্ডস্টোরেজ এবং গুদাম বা ওয়ার হাউসও বানানো হবে। ঘূর্ণি ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য যাতে কর্মী নিয়োগ করা যায় সে বিষয়েও তিনি পঞ্চায়েত দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন। এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবী এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের ১০০ দিনের কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।