করোনা ভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে বিদেশী প্রযুক্তির তুলনায় দেশীয় প্রযুক্তিতেই জোর প্রধানমন্ত্রীর

6
করোনা ভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে বিদেশী প্রযুক্তির তুলনায় দেশীয় প্রযুক্তিতেই জোর প্রধানমন্ত্রীর

এবার বিদেশী টিকা নয়, দেশীয় টিকাতেই ভারত বিশ্বাস রাখতে চলেছে। কারণ এই করোনা আবহের মধ্যেই ভারত আত্মনির্ভর হওয়ার ডাক দিয়েছে, আর সেখানেই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এখন দেশীয় প্রযুক্তিতে বেশী জোড় দেওয়া হবে,  বিদেশী প্রযুক্তির তুলনায়। তাই করোনা ভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রেও সরকার একই পথ বেছে নিতে চাইছে।

রাশিয়া, অক্সফোর্ড এদের ভ্যাক্সিনের কথা ভাবছে না ভারত। তারা এখন দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি কোভ্যাক্সিনকেই বেশী গুরুত্ব দিতে চাইছে। তাই এখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই ভ্যাক্সিন হাতের কাছে আসলেই বিতরণ শুরু করে দেওয়া হবে। এখন ভ্যাক্সিন ট্রায়াল পর্যায়ের মধ্যেই আছে। প্রথমেই চিকিৎসা কর্মী, স্বাস্থ্য কর্মী, সাফাই কর্মী, বয়স্কদের সবাইকে আগে প্রয়োগ করা হবে ভ্যাক্সিন। এই কোভ্যাক্সিন নিয়ে কাজ করছে জাইডাস ক্যাডিলা ও ভারত বায়োটেক। তাই আপাতত অন্য দেশের ভ্যক্সিন নিয়ে ভাবছে না ভারত।

প্রধানমন্ত্রী এই করোনা আবহের মধ্যেই যখন আত্মনির্ভর হওয়ার কথা বলেছে তখন থেকেই এই করোনার ভ্যাক্সিন নিয়েও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আসলে কোনোভাবেই এই ভ্যাক্সিন যাতে দেশের মানুষের কাছে পৌছাতে দেরি না হয়, সেটা নিয়ে যেমন একটা চিন্তা দেখা গেছে তেমন ভাবে দেশের চিকিৎসা প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এই ভ্যাক্সিন তৈরীর কাজ এগোনো হয়েছে। এখন কেবল ট্রায়ালের মধ্যেই আছে। তবে বছরের শেষের দিকেই যে সরকার ভ্যাক্সিন বাজারে আনতে চলেছে সেটা স্পষ্ট। আর সেই কারণেই বন্টন নিয়েও চিন্তা ভাবনা শুরু হয়ে গেছে।

আসলে ভারতের ভ্যাক্সিন ভারতে বিতরণ করতে তেমন একটা অসুবিধার মুখে পরতে হবে না। তাই বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে এই ভ্যাক্সিন পৌঁছে দিতে ভ্যাকসিন কমিটি ইতিমধ্যে বৈঠক শুরু করে দিয়েছে। ভ্যাক্সিন এর দাম নিয়ে অনেকটাই চিন্তার মধ্যে মানুষ। তবে জানা গেছে দাম সাধ্যের মধ্যেই রাখা হবে, যার ফলে এখন কিছুটা হলেও চিন্তা মুক্ত মানুষ।