বিরিয়ানির এই পুষ্টিগুণ গুলি জানলে বারবার খেতে চাইবেন

7
বিরিয়ানির এই পুষ্টিগুণ গুলি জানলে বারবার খেতে চাইবেন

বিরিয়ানি, এই পদ টির কথা শুনলেই মুখে জল এসে যায়। তবে যারা স্বাস্থ্যসচেতন, তারা বিরিয়ানি খান অনেক ভেবে চিন্তে। অনেকেই ভাবেন অতিরিক্ত তেল মশলা দিয়ে বানানো বিরিয়ানি আহার করলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু একেবারেই তা নয়। খাদ্যগুণের নিরিখে বিচার করলে একমাত্র বিরিয়ানিকেই সুষম এবং সম্পূর্ন আহার বলা যেতে পারে।

অনেকেই হয়তো জানেন না পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি শরীরকে অনেক সমস্যার নিঃশব্দ ওষুধ হিসেবে জীবন দান করে যাচ্ছে এই বিরিয়ানি। চলুন জেনে নেওয়া যাক সকলের পছন্দের বিরিয়ানির কিছু গুণ যা এতদিন আমাদের কাছে ছিল অজানা।

পুষ্টিগুণ: বিরিয়ানির পুষ্টিগুণের কথা আলাদা করে বলার কিছু নেই। কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন,ফ্যাট,শরীর গঠনের জন্য ভীষণভাবে উপযোগী। এক প্লেট বিরিয়ানি তাই একজনের সুষম আহার হিসেবে বিবেচিত হয়। বিরিয়ানির সঙ্গে থাকা মুরগি অথবা খাসি, ডিম অথবা কাজুবাদাম আমাদের শরীরে প্রোটিন সরবরাহ করে। হাতে থাকে কার্বোহাইড্রেট এবং তেল থেকে আসে চর্বি।

বার্ধক্য প্রতিরোধে বিরিয়ানি: আমরা অনেকেই জানিনা বিরিয়ানি রান্না তে ব্যবহৃত মুরগির মাংসের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমানে সেলেনিয়াম। সেলেনিয়ামের অ্যান্টিএজিং ক্ষমতা থাকে দুর্দান্ত যা আমাদের বয়স কমিয়ে দিতে সাহায্য করে।

হজম শক্তি বর্ধক: যাদের হজমশক্তি কিছুটা কম তারা কার্যত বিরিয়ানিকে এড়িয়ে যায়।কিন্তু আপনি জানলে অবাক হয়ে যাবেন, এই বিরিয়ানি কিন্তু আপনার হজম শক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। নেপথ্যে রয়েছে বিরিয়ানির মসলা। হলুদ আদা জিরা দিয়ে বানানো বিরিয়ানির মসলা হজম সাহায্যকারী এনজাইম কে সক্রিয় করে এবং আমাদের হজম শক্তি কে বাড়িয়ে দেয়।

ভিটামিন-এ ভরপুর: মুরগির মধ্যে থাকা ভিটামিন b3 এবং নিয়াসিন, শরীরকে ডিঅক্সিফিকেশন করতে সাহায্য করে। নিয়াসিন ক্যান্সার কলেজ ট্রল এবং স্নায়ুবিক সমস্যার মতো বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করে আমাদের।

ডিটক্সিফিকেশন: বিরিয়ানির মধ্যে যে মসলা গুলি ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এটি অভ্যন্তরীণ অঙ্গের জন্য সহায়ক। আদা, রসুন,হলুদ, কালো মরিচ, জিরার মধ্যে রয়েছে ডিটক্সিফিকেশনের ক্ষমতা।