এই কয়েকটি খাদ্যাভাস নিয়ম মত পালন করতে পারলে কোনদিনও হবে না মধুমেহ রোগ

7
এই কয়েকটি খাদ্যাভাস নিয়ম মত পালন করতে পারলে কোনদিনও হবে না মধুমেহ রোগ

মধুমেয় এমন একটি অসুখ যা ছোট থেকে বড় সকলেরই হতে পারে। প্রথমে আমরা বুঝতে না পারলেও পরে যখন আমরা মধুমেহ রোগের শিকার হয়ে যাই, তখন আর কিছু করার থাকে না আমাদের। তাই প্রথম থেকেই শারীরিক সমস্যার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন আমাদের। নিয়মিত সুস্থ জীবন যাপন এবং খাদ্যাভাস দিয়ে আমরা আটকে রাখতে পারি মধুমেয় কে।

মধুমেয় নিয়ন্ত্রণে রোগীর খাদ্যাভ্যাস সর্বাধিক গুরুত্ব পালন করে। মধুমেয় আক্রান্ত রোগীদের খাদ্য তালিকা থেকে সর্বাগ্রে বাদ দিয়ে দিতে হবে শর্করা এবং কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার। রক্তে শর্করার পরিমাণ কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন এবং কি খাবেন, কি খাবেন না তা জেনে নিতে হবে সকলের আগে।

কোন কোন খাদ্য এড়িয়ে যাবেন:

ডিম: এই ডিমে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রেশন প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী জানতে পারা গেছে, প্রতিদিন একবার একের বেশি ডিম খেলে মধুমেয় হবার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।

আভাকাডো: প্রাতরাশের সময় আভাকাডো যদি খাবার অভ্যাস থাকে তাহলে এখনি তা পাল্টে ফেলুন। এভোক্যাডো না খেয়ে তার পরিবর্তে সমান পরিমান ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।

ফুলকপি: সাদা ভাতের মত ফুলকপিতে থাকে প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইডেট। একটা ফুলকপি দিয়ে থাকে মাত্র ২ গ্রাম প্রোটিন এবং ২ গ্রাম ফাইবার। কার্বোহাইড্রেট থাকে পাঁচ গ্রাম। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে ফুলকপির থেকে দূরে থাকা ভালো।

এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার আপনি খাবেন।

টুনা মাছ: সালমান অথবা টুনা মাছ খেলে আপনি সুস্থ এবং সবল থাকতে পারবেন। এগুলিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড। খুব কম খাদ্যবস্তু ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়। শরীরের পর্যাপ্ত যোগানের জন্য আপনি সপ্তাহে দুবার খেতে পারেন টুনা মাছ।

লিন মাংস: কম চর্বিযুক্ত মাংস অথবা লীন মাংস শরীরে শর্করার পরিমাণ বাড়তে দেয় না। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চর্বিযুক্ত মাংস অন্যান্য উৎস থেকে দূরে থাকা উচিত।

অলিভ অয়েল: এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড। অলিভ অয়েলে সবজি রান্না করলে অথবা স্যালাডে ব্যবহার করলে শরীর সুস্থ থাকে।

বিন্স: কার্বোহাইড্রেট থাকার পাশাপাশি বিন্সে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং সাইবার ফাইবার।

আপেল: আপেলের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

রসুন: রসুন ডায়াবেটিসের মোকাবিলার একটি অন্যতম অস্ত্র। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কাজ করে রসুন।