“সরকার না পারলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেবো আমরা” জানালেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং

40

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেপ্টেম্বর মাসেই হতে চলেছে ইঞ্জিনিয়ার এবং মেডিকেলের প্রবেশিকা পরীক্ষা। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে পরীক্ষার্থীরা কিভাবে পরীক্ষা হলে গিয়ে পৌঁছবে, কিংবা সামাজিক দূরত্ব কত খানি পালন করা যাবে তা নিয়ে চিন্তিত সকলে।এমতাবস্থায় হুগলি চন্ডীতলা জমায়াতে দাঁড়িয়ে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিঙ্গ জানিয়েছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবকিছুতেই বিরোধিতা করা স্বভাব। সুপ্রিম কোর্ট কিছু বললে মানবো না, হাইকোর্ট কিছু বললে মানবো না। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছে দেবার জন্য সরকার আগে গাড়ির ব্যবস্থা করুক, যদি না করতে পারেন তাহলে বলে দিন, বিজেপি এই দায়িত্ব নিয়ে যাবে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেবো আমরা”।

মহামারীর জন্য ইতিমধ্যেই প্রবেশিকা পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে সরব হয়েছে তৃণমূল। গত বুধবার বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জোটবদ্ধ হয়ে তিনি না করার আহ্বান জানান সকলকে। এই সুত্রে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।

তবে শুধুমাত্র প্রবেশিকা পরীক্ষা নয়, সেপ্টেম্বরে কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাও কিছুতেই নেয়া হবে না একথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে ভার্চুয়াল সভা মঞ্চ থেকে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নিয়ে তিনি বলেন যে, পুজোর আগে পর্যন্ত পরীক্ষা দিবা নিয়ে কোন কিছু চিন্তা ভাবনা করাই উচিত নয়। কিন্তু এর মধ্যেই শীর্ষ আদালত বলে দিয়েছে যে পরীক্ষা নিতেই হবে। শীর্ষ আদালতের মত অনুযায়ী, পুজোর আগে প্রত্যেক রাজ্যকে পরীক্ষা নিতেই হবে। অনলাইন বা অফলাইনে কিভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে তা আলোচনা করে দেখুক সমস্ত কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিমধ্যেই অর্জুন সিং এর একটি মিছিলে পুলিশের বাধা দেওয়া নিয়ে একটি অশান্তি বাধে। পুলিশের অভিযোগ ছিল, দুর্গানগর এর ওই এলাকায় অর্জুন সিং এর মিছিলে যোগ দিতে হাজির হয় হাজার দুয়েক মানুষ। অনেকেরই মুখে ছিল না কোন মাক্স, ছিলনা কোন সামাজিক দূরত্ব। সেই কারণে মিছিল অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু বিজেপি দল নেতার অভিযোগ, এইভাবে বেছে বেছে সমস্ত জায়গায় বিজেপির জমায়েত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে পুলিশকে দিয়ে।