মুম্বাইকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সাথে তুলনা করে আমি কিছু ভুল করিনি, ফের আক্রমণাত্মক টুইট কঙ্গনার

5
মুম্বাইকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সাথে তুলনা করে আমি কিছু ভুল করিনি, ফের আক্রমণাত্মক টুইট কঙ্গনার

যেমন কথা তেমন কাজ, মুম্বইয়ের পালি হিলসে অবস্থিত বলিউড “কুইন” কঙ্গনা রানাওয়াতের অফিস ভাঙার কাজ শুরু করে দিলো বৃহন্মুম্বই পুরসভা। টুইটারে বিএনসির সেই বিধ্বংসী কার্যকলাপের ছবি পোস্ট করে ক্ষোভ উগরে দিলেন কঙ্গনা। শিবসেনা এবং বিএমসিকে “শত্রু” হিসেবে চিহ্নিত করে কঙ্গনার কটাক্ষ, “শত্রুরাই প্রমাণ করে দিল, মুম্বাইকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সাথে তুলনা করে আমি কিছু ভুল করিনি”।

টুইটের নিচে “পাকিস্তান” লিখে হ্যাশট্যাগ করে কঙ্গনা লিখেছেন “ডেথ অফ ডেমোক্রেসি”। সোশ্যাল মিডিয়ায় কঙ্গনার এই বক্তব্যকে সমর্থন করছেন অনেকেই। উল্লেখ্য, আজকেই নৈনিতাল থেকে মুম্বাইয়ে ফিরে আসছেন কঙ্গনা। তবে তার ফিরে আসা অব্দি অপেক্ষা করেনি বিএমসি। তার আগেই শুরু হয়ে গেছে ভাঙচুর। বৃহন্মুম্বই পুরসভার তরফ থেকে অ্যাসিসট্যান্ট কমিশনার বিনায়ক ভিসপুটে জানিয়েছেন, ৮-১০ টি কাঠামোগত নিয়ম লঙ্ঘন করেছে কঙ্গনার এই অফিস।

গতকাল, বিএমসির তরফ থেকে অফিস নির্মাণে কাঠামোগত ত্রুটির কারণ দেখিয়ে মণিকর্ণিকার অফিসের গেটে একটি তিন পাতার নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, ২৪ ঘন্টার মধ্যে কঙ্গনাকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু কঙ্গনার জবাবে খুশি নয় বিএমসি কর্তৃপক্ষ। অতএব আজকেই অফিসে ভাঙচুর চালায় বিএমসি। বিএমসির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অফিস ভাঙার পর পরবর্তী ক্ষেত্রে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিএমসির এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করে কঙ্গনা লিখেছেন, মণিকর্ণিকার অফিস তার কাছে মন্দিরের মতো। মণিকর্ণিকা ফিল্মসের প্রযোজিত প্রথম ছবি “অপরাজিতা অযোধ্যা” হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। পাশাপাশি, বিএমসিকে সরাসরি “বাবর” এর সাথে তুলনা করে কঙ্গনা লিখেছেন, আজ আবারো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হলো। মণিকর্ণিকার অফিসে বাবর আক্রমণ করতে এসেছে। নিজের অফিসকে রাম মন্দিরের সাথে তুলনা করে তিনি লিখেছেন, “রাম মন্দির ভাঙলেও, বাবর মনে রাখবেন, মন্দির আবার নির্মিত হবে। জয় শ্রীরাম।”