বাংলার প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পায়ে ধরতে পারি তবে আমাকে এভাবে বারবার অপমান করবেন নাঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

18
বাংলার প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পায়ে ধরতে পারি তবে আমাকে এভাবে বারবার অপমান করবেন নাঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত আলোচনা করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কলাইকুন্ডাতে একটি বৈঠকের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বৈঠকে উপস্থিত হননি। এই নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। বিশেষত বঙ্গ বিজেপির সমালোচনার আঁচ দিল্লি পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে। এই নিয়ে বিজেপি শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় মেতেছেন।

প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে শেষ-মেষ মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধীদের উদ্দেশ্য করে তার পাল্টা অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার তাকে বারংবার অপমান করছেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন কেন্দ্রীয় সরকারকে উল্লেখ করে বলেছেন, “বাংলার প্রয়োজনে আমি প্রধানমন্ত্রীর পায়ে ধরতে পারি। কিন্তু দয়া করে আমাকে অপমান করবেন না”।

এরপরই মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে রীতিমতো আক্রমণ করে বলেন, “যখন আমি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে নিয়ে চিন্তিত, ওই এলাকার মানুষেরা কিভাবে জল পাবেন তার সমাধান করতে ব্যস্ত, বিজেপি তখন আমার দুর্নাম করতে ব্যস্ত ছিল”। এর সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “বাংলা আমার কাছে সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার জন্য প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পায়ে ধরতেও দ্বিধা করবো না। আমার ওপর প্রধানমন্ত্রীর রাগ থাকতে পারে, আমি পায়ে ধরলে যদি তার রাগ কমে যায় তাহলে আমি তা করতেও রাজি। তবে আমাকে এভাবে বারবার অপমান করবেন না”।

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক বলে যে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল তা আসলে বিজেপির দলীয় বৈঠক ছিল। সেখানে আমি গিয়েও ছিলাম। তা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে!”। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুসারে, কেন্দ্র আসলে ভোটের হারের ফলাফল স্বীকার করে নিতে পারছে না। তাই মুখ্যমন্ত্রীর উপর তাদের এত রাগ। তাই বারংবার বাংলাকে অপমান করা হচ্ছে।