সর্বদা খেয়াল রাখেন কোনো শাসন করেন না স্বামী! অসহ্য হয়ে ডিভোর্স চাইলেন স্ত্রী

31
সর্বদা খেয়াল রাখেন কোনো শাসন করেন না স্বামী! অসহ্য হয়ে ডিভোর্স চাইলেন স্ত্রী

বিবাহের পর বিচ্ছেদের কথা এখন আমরা সব সময় শুনে থাকি। বহুদিন প্রেম করার পরেও বিচ্ছেদ হয়ে যায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। বর্তমান সমাজে বিয়ে টিকিয়ে রাখাটাই যেন বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হয়। এই চ্যালেঞ্জ মাঝে মাঝে এতটাই কঠিন হয়ে যায় যে কেন বিচ্ছেদ হচ্ছে সেটাই বোঝা যায় না। তেমনি ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। এক দম্পতি এমন একটি কারণ দেখিয়ে আলাদা হয়ে গেছেন যা শুনলে আপনার কাছে হাস্যকর মনে হতে পারে।

স্বামী অতিরিক্ত যত্নবান তাই ডিভোর্স চাই এমনটাই বলেছেন আমিরশাহির এক মহিলা। তার অভিযোগ অনুযায়ী তার স্বামী অত্যান্ত পরিমাণে তার প্রতি কেয়ারিং। সর্বদা খেয়াল রাখা, বাড়ির সমস্ত কাজকর্ম করে দেওয়া ছাড়াও স্ত্রীকে কোন রকম ভাবে শাসন করেন না স্বামী। এইরকম সাদামাটা সরল স্বামী যেন অসহ্য লাগছিল ওই মহিলার। তাই সহ্য না করতে পেরে ডিভোর্স দিয়ে দেন ওই মহিলা।

অন্যদিকে 38 বছরের মারিয়াম আদুন্নি, স্বামী অত্যন্ত কথা বলেন বলে স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দেন। তিনি এতটাই কথা বলেন যে স্ত্রীর কাছে কোন কথা গোপন করে রাখতে পারেন না। পরিবারের কথা নিজের বন্ধু-বান্ধবদের জানিয়ে দেন তিনি। এইভাবে একটি সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় তাদের।

ইতালির এক দম্পতির বিবাহ মাত্র টিকে ছিল তিন সপ্তাহ। স্বামীর মায়ের প্রতি অত্যন্ত প্রাণ সহ্য করতে পারেনি স্ত্রী। হানিমুনে গিয়ে ওই দম্পতির সঙ্গে ছিলেন মা। এই ভাবেই সব সময় মায়ের উপস্থিতি সহ্য না করতে পেরে স্বামীকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্ত্রী।

তাইয়নারের এক মহিলার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ করেছিলেন শুধুমাত্র একটি কারণে, তা হলো তিনি ক্রমাগত স্বামীকে টেক্সট করার পরেও তার স্বামীর কোনো উত্তর দেননি। বারবার মেসেজ গুলো দেখা সত্বেও কোনরকম জবাব না দেওয়ায় রীতিমত রেগে গিয়েছিলেন তিনি। তাই স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাননি তিনি।

সবশেষে ইতালির এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে শুধুমাত্র এই কারণে ডিভোর্স দিয়েছিলেন যে, তিনি নাকি তার স্ত্রীকে শূন্যে ভেসে থাকতে দেখেছেন। বছর দশেক ধরেই এরকম অদ্ভুত আচরণ করছিলেন তিনি। তাই অবশেষে তিনি থাকতে পারলেন না তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে।