গতিপথ বদলাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় “ইয়াশ”

18
গতিপথ বদলাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়

অবশেষে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফ থেকে এলো স্বস্তির বার্তা। ঘূর্ণিঝড় “ইয়াস” এর গতিপথ বদলাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ উপকূল থেকে ক্রমশ উড়িষ্যার পারাদ্বীপের দিকে সরে গিয়েছে নিম্নচাপ। বুধবার দুপুরে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় উড়িষ্যার পারাদ্বীপ এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপের মাঝে বালাসোরের দক্ষিণ এবং ধামরার উত্তর দিক দিয়ে অতিক্রম করবে বলে আগাম পূর্বাভাস দিচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

সোমবার রাতেই কার্যত শক্তি সঞ্চয় করে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়টি। মঙ্গলবার এই ঘূর্ণিঝড় আরো শক্তি বৃদ্ধি করে পশ্চিমবঙ্গ উড়িষ্যা এবং অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের সৃষ্টি করবে বলে জানা গিয়েছে। উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এদিকে সোমবার সকাল থেকেই বাংলার আকাশের মুখ ভার। ঘন কালো মেঘে ঢাকা রয়েছে আকাশ।

সোমবার থেকেই প্রতি ঘণ্টায় নয় কিলোমিটার বেগে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে “ইয়াস”। মঙ্গলবার ভোরের দিকে দীঘা উপকূল থেকে “ইয়াস” এর দূরত্ব ছিল মাত্র ৪৫০ কিলোমিটার। মঙ্গলবার দুপুর হতে না হতেই সেই দূরত্ব কমে দাঁড়িয়েছে ৩৭০ কিলোমিটারে। বুধবার সকালে নাকি উপকূলবর্তী অঞ্চলে আছড়ে পড়বে ভয়ঙ্কর শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়টি। তারপর সেটি ঝাড়খণ্ডের দিকে ঘুরে যাবে’।

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা হিসেবে দীঘা উপকূলে লাল সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকা থেকে মানুষদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বলে সতর্ক করেছেন যে এই ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে পশ্চিমবঙ্গের অন্ততপক্ষে ২০টি জেলা কম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে চলেছে। তবে রাজ্যের প্রশাসনিক সাধারণের সব রকম সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত।