পুজোর প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন জানুন বাস্তুর নিয়ম

5
পুজোর প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন জানুন বাস্তুর নিয়ম

চলতি বছরে ২৫ শে সেপ্টেম্বর মহালয়া পড়েছে। আর মহালয়া থেকেই দেবীপক্ষ শুরু। এই দেবীপক্ষের সময় টা অনেক আচার বিচারের মধ্যে দিয়ে কাটায় বাঙালি। সাথে সাথে পুজোর জন্যও চলে নানান তোড়জোড়। জামা কাপড় কেনা থেকে শুরু করে কমিটি গুলির প্যান্ডেল বানানোর শেষ ধাপে সকলের মধ্যেই থাকে চূড়ান্ত উত্তেজনা।

এই বছর ১ অক্টোবর থেকেই পূজা শুরু। ১অক্টোবর মহা ষষ্ঠী থেকে শুরু হয়ে ৫ অক্টোবর দশমী হয়ে দূর্গাপুজা শেষ হবে। উত্তর ভারতে নবরাত্রি পালন হয় নবমীর দিন। তাঁরা মোট নদিন ধরে পালন করেন এই নবরাত্রি। তবে শুধু উত্তর ভারতে নয় পশ্চিমবঙ্গেও অনেক বনেদি বাড়িতেও দূর্গাপুজা করা হয়। বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দূর্গাপুজা ও নবরাত্রি পালন করা হয়। তবে বাড়িতে দেবী দুর্গা প্রতিষ্ঠা করার বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে। বাস্তু শাস্ত্রের নিয়ম মেনে ঠাকুর ঘর সাজালে শীঘ্র সেই পুজোর ফল পাওয়া যায়। পাশাপাশি পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধির আগমন ঘটে। উল্লেখ্য বাস্তু মেনে কী ভাবে ঠাকুর ঘর সাজাবেন ও পুজোর প্রস্তুতি নেবেন জেনে নেওয়া যাক।

বাস্তু মতে, দেবী পক্ষের দিন থেকেই চুন হলুদ দিয়ে সস্তিক চিন্হ এঁকে ঘরের প্রবেশদ্বারে এঁকে রাখুন আম পাতার তোরণ সহ। এতে বাস্তু দোষ কেটে যায় বলে মনে করা হয়। তবে দুর্গা ঠাকুর স্থাপনের সঠিক দিক রয়েছে। বলা হয় উত্তর – পূর্ব দিকটি দেবী ও দেবতাদের দিক। তাই সেই দিকেই প্রতিমা স্থাপন ও ঘট স্থাপন করা উচিত।

এই দিকটি অত্যন্ত শুভ তাই এই দিকে প্রতিমা থাকলে কোনো বাস্তু দোষ লাগে না উল্টে কোনো দোষ থাকলে কেটে যায়। এছাড়াও চন্দনের চৌকি ব্যাবহার করা হলে বাস্তু দোষ কেটে যায়। হিন্দু শাস্ত্র মতে চন্দনকে শুভ বলে মানা হয়। প্রতি পুজোয় চন্দন অবশ্যই দরকার পড়ে। চন্দনের ধূপকাঠি ব্যাবহার করা হয় থেকে তাই পুজোয়।

শুধু তাই নয়, পূজো করতে বসার জন্য পূর্ব দিকটিতেই বসা হয়। এই দিকটি শক্তির প্রতীক বলে মনে করা হয়। এছাড়াও দুর্গা পুজোয় লাল রঙের সকল বস্ত্র কেনা হয়। শাড়ি ওড়না, রোলি, চন্দন, সবই লাল রঙের কেনা হয়। লাল রং ক্ষমতা ও শক্তির প্রতীক তাই দুর্গা পূজায় এই রঙের সব কিছু দেওয়া হয় দেবীকে।

তবে ভুল করেও কালো রঙের কোনো কিছু ব্যাবহার করা যাবে না । কারণ কালো অশুভ শক্তিকে বাড়ায় তাই এই পূজোর সময়ে কালো রং নিষিদ্ধ। এছাড়াও ঘী এর প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। একটি অখন্ড প্রদীপ জ্বালালে শত্রু অবধি পরাজয় করা যায় বলেই মনে করা হয়।