বাচ্চাকে আরো বেশি করে কীভাবে পড়াশোনায় মনোযোগী করে তুলবেন? জানুন টিপস

5
বাচ্চাকে আরো বেশি করে কীভাবে পড়াশোনায় মনোযোগী করে তুলবেন? জানুন টিপস

আমরা সকলেই চাই, আমাদের সন্তান যাতে বড় মনের মানুষ হোক। তার পাশাপাশি তারা যেন ভালো করে পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ওঠে, তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকি আমরা। কিন্তু বর্তমান যুগের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে বাচ্চারা মোবাইল ল্যাপটপ ইত্যাদি ইনডোর গেমস নিয়ে বেশি মেতে থাকে। এর ফলে তাদের কাছে বই পড়া বা মুখস্থ করা ব্যাপার টা বড্ড বোরিং লাগে।

একটানা ঘন্টার পর ঘন্টা পড়তে তাদের ইচ্ছা করে না। এই নিয়ে বেশিরভাগ সন্তানের বাবা মা চিন্তায় থাকেন। তাই আজকে জেনে নিন এমন কিছু পদ্ধতি যার ফলে আপনি আপনার বাচ্চাকে আরো বেশি করে পড়াশোনায় মনোযোগী করে তুলতে পারবেন।

১) পড়াশোনা করার জন্য এটি সহজ রুটিন তৈরি করে দিন তাদের। রুটিং থাকার কারণে অতিরিক্ত সময় ধরে পড়াশোনা করার চিন্তা থাকবে না তাদের মাথায়। ঘন্টার পর ঘন্টা না পড়াশোনা করে মাঝে যদি কিছুক্ষণ ব্রেক নেওয়া যায়, তাহলে পড়াশোনার ব্যাপার নিয়ে একঘেয়েমি কাজ করবে না।

২) পড়াশোনা করার জন্য একটি শান্ত হোক অথবা আরামদায়ক জায়গা র ব্যবস্থা করে দিন। এমন একটি জায়গায় তার পড়াশোনার ব্যবস্থা করুন যেখানে বারবার বাইরের লোক যাওয়া আসা করবে না। বারবার তাদের কেউ যাওয়া-আসা করলে মনোযোগ সহকারে পড়া যায় না। এছাড়া হাতের কাছে পেন্সিল, রাবার, স্কেল, কল ইত্যাদি নিয়ে বসতে হবে যার জন্য বারবার তাকে উঠতে হবে না। যদি খিদে পায় তাহলে হাতের কাছে বিস্কুট চানাচুর টেবিলে রেখে দেওয়া যায়।

৩) পড়াশোনা করার সময় মনোযোগ নষ্ট করে এমন কিছু জিনিস তার কাছ থেকে দূরে রাখুন টিভি অথবা রেডিও চলে এরকম ঘর থেকে দূরে তার পড়াশোনার ব্যবস্থা করে দিন। এছাড়া বারবার তার পড়াশোনার ঘরের কাছে গিয়ে কথা বলবেন না।

৪) এমন কিছু সহজ পন্থা থাকে বলে দিন যার সাহায্যে সে পড়াশোনা খুব তাড়াতাড়ি মুখস্থ করতে পারে। যেমন যদি ছোট বাচ্চা হয়, তাহলে ছবি এঁকে তাকে পড়াশোনা করানোর চেষ্টা করুন। বাচ্চা যদি বড় হয়, তাহলে বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে নোট করে রাখার চেষ্টা করুন।

৫) সবসময় প্রশংসা অথবা পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখুন। পরীক্ষা নিয়ে যদি ভালো নম্বর পায়, তাহলে তাকে যে কোনোভাবে পুরস্কৃত করুন। কোন খেলনা অথবা খাবার জিনিস পেলে বাচ্চারা পড়াশুনার প্রতি আরও আগ্রহী হয়ে উঠবে।

৬) পড়ানোর সময় একই পড়া বারবার না পড়িয়ে ভাগ ভাগ করে চ্যাপ্টার পরানোর চেষ্টা করুন। এভাবে বাচ্চার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং পড়াশুনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।