বাড়িতে কীভাবে ফিটকিরি রেখে দিলে নেতিবাচক প্রভাব দূর হয়? জেনে নিন

10
বাড়িতে কীভাবে ফিটকিরি রেখে দিলে নেতিবাচক প্রভাব দূর হয়? জেনে নিন

ফিটকিরির ঔষধিক গুনাগুন সম্পর্কে কম-বেশি আমরা প্রায় সকলেই জানি। কেটে ছড়ে গেলে সংক্রমণ এড়াতে ক্ষতস্থানে ফিটকিরি প্রয়োগের নিদান দেওয়া হয়। তবে, ফিটকিরি সম্পর্কে এমন বেশকিছু প্রচলিত ধ্যান ধারণা আছে, যার দরুন বেশকিছু মানুষ বিশ্বাস করেন ফিটকিরি অলৌকিক গুণাবলী সম্পন্ন। যা নিমেষের মধ্যেই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম। ফিটকিরি সম্পর্কে এ রকমই বেশকিছু সংস্কারের প্রচলন আছে সমাজে।

যেমন, প্রচলিত ধারণা মতে ফিটকিরি বা লবণের উপস্থিতি নেতিবাচক প্রভাব দূর করে সংসারে ইতিবাচক প্রভাব আনতে সক্ষম। এজন্যই বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বাথরুমে কিছুটা পরিমাণে লবণ অথবা ফিটকিরি রেখে দেওয়ার বিধান দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী, বাথরুমে একটি ছোট বাটিতে কিছুটা পরিমাণে ফিটকিরি বা লবণ রেখে দিলে এবং প্রতি মাসে তা বদল করে একই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করলে সংসারে শান্তি বজায় থাকে।

আবার বাড়িতে যদি ঝগড়া অশান্তি লেগেই থাকে, তাহলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রাতে এক গ্লাস গরম জলের মধ্যে এক টুকরো লেবু রেখে গ্লাসটিকে খাটের নিচে রেখে দেওয়ার নিদান দেওয়া হয়। সকালে সেই জল কোনো বট গাছের গোড়ায় ঢেলে দিলেই কেল্লাফতে। সাংসারিক অশান্তি মিটে গিয়ে শান্তি পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হবে। আরো আছে, ঋণের সমস্যায় ভুগলে বুধবার সকালে বা সন্ধ্যায় একটি পান পাতার মধ্যে ফিটকিরি এবং সিঁদুর রেখে পান পাতা মুড়িয়ে কোনও বটগাছের নীচে বড় পাথরের তলায় চাপা দিয়ে রাখতে হবে।

এই পদ্ধতির মাধ্যমে অচিরেই ঋণের হাত থেকে মুক্তি মেলে। আবার বাস্তুদোষ হ্রাস করতে চাইলে, তার জন্যেও ফিটকিরি বেশ উপযোগী হিসেবে বিবেচিত হয়। এক্ষেত্রে বাড়ির প্রতিটি ঘরের কোণে ৫০ গ্রাম ওজনের ফিটকিরির টুকরো রেখে দিলেই নাকি বাস্তুদোষ দূর হয়।