মা হিসেবে নিজেকে কত নাম্বার দেবেন রচনা ব্যানার্জি? জানালেন নিজেই

2
মা হিসেবে নিজেকে কত নাম্বার দেবেন রচনা ব্যানার্জি? জানালেন নিজেই

যাকে ছাড়া জি বাংলার রিয়েলিটি শো দিদি নাম্বার ওয়ান একেবারেই বেমানান । যাকে ছাড়া দর্শকরা দিদি নাম্বার ওয়ান শো টি দেখতেই পছন্দ করেননা। রোজ জি বাংলার পর্দাতেই হাজির হন রচনা ব্যানার্জি। প্রতিদিন এই রিয়েলিটি শোতে আসে বিভিন্ন স্তরের মানুষ জন, যাদের সঙ্গে আলাপ করেন তিনি এবং জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত কে ভাগ করে নেন তাদের সঙ্গে। বাস্তব জীবনে রচনা ব্যানার্জীর একজন দিদি নাম্বার ওয়ান কারণ এক হাতে তিনি তাঁর একমাত্র সন্তান প্রনীলকে বড়ো করছেন।

অভিনেত্রী জানিয়েছেন প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের পর তিনি দ্বিতীয় বিবাহে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলেও তিনি ডিভোর্সের পথে হাঁটেননি কারণ তিনি চেয়েছিলেন তাঁর সন্তানকে তিনি সুস্থ পরিবেশে মানুষ করতে যার কারণে তিনি বিবাহবিচ্ছেদ না করে থাকলেও স্বামীর সঙ্গে একসঙ্গে থাকে না সে কথা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।

একমাত্র সন্তান বলতে প্রাণ হারায় রচনা। প্রনীল হলো রচনা ব্যানার্জীর সব থেকে কাছের মানুষ। “অপুর সংসার” নামের রিয়েলিটি শোতে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী এবং যেখানে তিনি তাঁর জীবনের অনেক অধ্যায়ে তুলে ধরেন। তাঁর মতে তিনি নিজের ছেলেকে বেশি সময় দিতে পারেন না যার কারণে তিনি মা হিসেবে নিজেকে কখনোই দশের মধ্যে দশ দিতে পারবেন না।

অপুর সংসার শো তে শাশ্বত অভিনেত্রীকে জিজ্ঞেসা করেছিলেন, স্ত্রী হিসেবে নিজেকে তিনি কত নাম্বার দেবেন? সেই প্রশ্নের উত্তরে রচনা ব্যানার্জি জানান শুন্য।

কারণ, প্রকৃত গৃহিণী হয়ে সুন্দর সুষ্ঠুভাবে সংসার করার জন্য একজন মহিলার মধ্যে যেগুলো প্রয়োজন সেগুলো তাঁর মধ্যে নেই। রচনা ব্যানার্জিকে প্রশ্ন করা হয়, কি করলে তিনি একজন ভালো বউ হিসেবে প্রমাণিত হবেন? যার উত্তরে, অভিনেত্রী জানান,” স্বামীর সঙ্গে যদি কম্প্রোমাইজ করে থাকা যায় তাহলে হয়তো অনেক ভালো বউ হয়ে ওঠা সম্ভব। সেটা পারিনি কারণ আমার লক্ষ্য সেটা ছিল না”। অভিনেত্রীর মতে যারা অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত তাদের অবশ্যই উচিত অভিনয় জগতের মানুষের সঙ্গে বিয়ে করা, কারণ তারা এ ব্যাপারটিকে তাহলে বুঝবে।

পেশা আলাদা হলে সে ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা এসে দাঁড়াও এবং এক জনকে যদি আর এক জনকে না বোঝে, তাহলে কখনই সংসার সুখের হয় না। তবে এ ব্যাপারে অভিনেত্রীর কোনো আক্ষেপ নেই বলেই জানিয়েছেন কারন জীবনটা কে তিনি সব সময় পজিটিভ দিক থেকে দেখেই এগিয়ে যান।