কতক্ষণ ধরে বা কি উপায়ে ডিম সিদ্ধ করলে তা পুষ্টিকর হবে? দেখে নিন

20
কতক্ষণ ধরে বা কি উপায়ে ডিম সিদ্ধ করলে তা পুষ্টিকর হবে? দেখে নিন

সুস্বাস্থ্যকার খাবারের মধ্যে সেদ্ধ ডিম খুব ভালো খাবার। অনেকেরই প্রাতরাশের তালিকায় সেদ্ধ ডিম থাকে। ডিমে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। অনেকেই ভাবেন, ডিম সেদ্ধ করা কি আর এমন ব্যাপার! জলে ডিম দিয়ে তা সেদ্ধ করে নিলেই তো হয়। কিন্তু আপনি যদি চান শুধু সেদ্ধ নয়- মানানসই সেদ্ধ, তাহলে সে জন্য রয়েছে অনেক পদ্ধতি।

ডিম সেদ্ধ করার সঠিক পদ্ধতি না জানলে অনেক সময় খোসা সহজে ছাড়ে না বা ফেটে যায়। যদি সহজেই খোসা ছাড়াতে চান তাহলে ডিম সেদ্ধ করার সময় জলের মধ্যে নুন দিয়ে ফোটাতে হবে, এক্ষেত্রে ডিমও ভেঙে যাবে না। আর যদি ডিমের গায়ে ফাটল ধরে তাহলে ভিনিগার লাগলে আর ফাটবে না। ব্যাস সমস্ত প্রবলেমের তো সমাধান হয়েই গেল।

আরও কিছু কথা মাথায় রাখতে হবে। ডিম সবসময় কম আঁচেই সেদ্ধ করা উচিত। ডিম সেদ্ধ করার আগে কখনোই ঠান্ডা জলে ডোবাবেন না। ডিম সেদ্ধ করার পরও ঠান্ডা জলে না ডোবানোই ভালো। এতে ডিমের হলুদ অংশের রং হালকা হয়ে যায়। আর খেতেও অতটা ভালো লাগে না।

ডিম সেদ্ধ করার ব্যাপারে সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডিম পছন্দসই উপায়ে সেদ্ধ করতে চাইলে সময়ের খেয়াল অবশ্যই রাখতে হবে। এক্ষেত্রে একটি চার্ট তৈরি করা হয়েছে। এ চার্ট অনুযায়ী আপনার পছন্দনীয় সেদ্ধ ডিম পাওয়া যাবে। এরপর নিচের দেওয়া সময়ে গরম জল থেকে উঠিয়ে নিলেই পছন্দমতো ডিম পাওয়া যাবে।

>> ৪ মিনিট : নরম সেদ্ধ বা আধা সেদ্ধ, চামচ দিয়ে খেতে হবে।

>> ৫ মিনিট : ফার্ম হোয়াইট ডিম সেদ্ধ করার জন্য। কিছুটা ঘন হবে।

>> ৬ মিনিট : ডিমের কুসুম শক্ত হবে না। তবে উপাদেয় হবে।

>> ৮ মিনিট : সামান্য নরম থাকবে কুসুম।

>> ১০ মিনিট : কিছুটা শক্ত হবে কুসুম। তবে মাঝখানে সামান্য নরম থাকবে।

>> ১২ মিনিট : প্রায় সম্পূর্ণ হবে ডিম সেদ্ধ। মাঝখানে কিছুটা নরম ভাব থাকবে।

>> ১৪ মিনিট : সম্পূর্ণ হার্ড বয়েল হবে ডিম। মাঝখানে কুসুম প্রায় শুকিয়ে যাবে।