দুর্নীতির জাল কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত? জেরায় উঠে আসছে অবাক করা তথ্য

13
দুর্নীতির জাল কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত? জেরায় উঠে আসছে অবাক করা তথ্য

কথায় আছে, লেজ টানলে মাথা আসে। এমনই অবস্থা হয়েছে এ পার্থ চ্যাটার্জি এবং অর্পিতা মুখার্জি কে নিয়ে। এসএসসি দুর্নীতি কান্ডে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখার্জির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। যার পরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তার ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে।

গ্রেপ্তারের পরবর্তী সময় থেকে জেরা অনবরত চলছে। জেরায় কখনো কখনো উঠে আসছে অবাক করা তথ্য। দুর্নীতির জাল এতদিন পর্যন্ত কোথায় বৃস্তিত হয়েছে, সেই অনুসন্ধান করতে গিয়ে একদম হতবাক হয়ে গেছেন তদন্তকারী অফিসারেরা। তদন্তে নেমে ইডি সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিভিন্ন সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে নাম দিয়েছেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের।

যাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে তাদের মধ্যে কেউ রিকশা চালায় তো কেউ হতদরিদ্র তো কেও দিনমজুর। বিধানসভা কেন্দ্র বেহালা পশ্চিমের মধ্যে থাকা বহু দরিদ্র মানুষকে ব্যবহার করে নিজের বিভিন্ন সংস্থার ডিরেক্টর করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

এই বিষয়ে তদন্তকারী দল ঐ সমস্ত দিনমজুর এবং হতদরিদ্র মানুষের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, তারা এসব ব্যাপারে কিছুই জানেন না। তারা এই সমস্ত পদের অধিকারী হিসেবে কোনদিনও এক টাকাও পাননি। শুধুমাত্র কখনো কখনো এসে তাদের কাছে টিপসই নিয়ে যাওয়া হতো। এরকম দাবি করেছেন কয়েকজন রিক্সাওয়ালা।

এই তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজে পায় ইডি। তদন্তে উঠে আসে ২০১ ভুয়ো সংস্থার নাম যেখানে এসএসসির দুর্নীতির সরকারি চাকরির বিক্রি টাকাগুলি বিনিয়োগ করে সাদা করা হতো। যদিও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের তরফ থেকে এই কৌশল জানা গিয়েছে। এরকম ভুয়ো সংস্থায় টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় তিন কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে।